০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুমিয়ে মিলল ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ফ্রিতে ছুটি কাটানোর সুযোগ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

বাড়ি ও আসবাবপত্রবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ওয়েকফিট এ ব্যতিক্রমী ইন্টার্নশিপের আয়োজন করে। এতে অংশগ্রহণকারীদের ঘুমকে অগ্রাধিকার দিতে, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যেতে এবং নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি মেনে চলতে হতো। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে সৃজনশীল কিছু চ্যালেঞ্জেও অংশ নিতে হয়েছে তাঁদের।

দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে কয়েক দফা বাছাই ও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ১০ জনকে নির্বাচন করা হয়। প্রায় ৬০ দিন ধরে তাঁরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এ সময় প্রত্যেকের ঘুমের মান ও সময়ের হিসাব রাখা হতো। প্রতিদিনের স্কোরের ভিত্তিতে তৈরি করা হতো প্রতিযোগীদের অবস্থানসংবলিত তালিকা।

তবে প্রতিযোগিতাটি শুধু পর্যাপ্ত ঘুমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের সৃজনশীলতারও প্রমাণ দিতে হয়েছে।

প্রতি সপ্তাহে দেওয়া কাজগুলোর মধ্যে ছিল ‘স্লিপ সিনেমা’। এ চ্যালেঞ্জে প্রতিযোগীদের বিখ্যাত সিনেমার দৃশ্য ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন আঙ্গিকে পুনর্নির্মাণ করতে হতো। আরেকটি চ্যালেঞ্জ ছিল ‘স্লিপ বিঙ্গো’। এতে এক সপ্তাহের ঘুমের অভ্যাস মূল্যায়ন করতে হতো অংশগ্রহণকারীদের।

সবচেয়ে ব্যতিক্রমী কাজগুলোর একটি ছিল ‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’। এ চ্যালেঞ্জে কথোপকথনের সময় অন্যদের বুঝতে না দিয়ে ‘ব্ল্যাঙ্কেট’ অথবা ‘পিলো’—এই দুটি শব্দের যেকোনো একটি ১০ বার ব্যবহার করতে হতো প্রতিযোগীদের।

প্রতি সপ্তাহে সেরা পারফরমারকে দেওয়া হতো ‘প্রো স্লিপার অব দ্য উইক’ খেতাব।

দুই মাস পর প্রতিযোগিতার শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেন জিনিয়া চ্যাটার্জি, রত্নগিরি মানিকান্দন ও মেহেক খোট। তবে প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল চ্যালেঞ্জ জিতে ওয়াইল্ডকার্ড পেয়ে আবার প্রতিযোগিতায় ফিরে আসেন হায়দরাবাদের করিম খান। ফলে চূড়ান্ত পর্বে প্রতিযোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় চারজনে।

‘বিগ বেড’ নামের চূড়ান্ত পর্বে ছিল দুটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথমটির নাম ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’। এতে রেফারেন্স ছবি দেখে একটি শোবার ঘরের সাজসজ্জা হুবহু তৈরি করতে হতো প্রতিযোগীদের। এর মাধ্যমে তাঁদের পর্যবেক্ষণক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি ও দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা যাচাই করা হয়।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটির নাম ছিল ‘স্লিপ অকশন’। এতে প্রতিযোগীদের ঘুমানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ ও পরিবেশ নিলামে দর হাঁকে সংগ্রহ করতে হয়েছে। এসবের মধ্যে ছিল বালিশ, কম্বল, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, আলো ও শব্দের সেটিংস।

এরপর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীরা নিজেদের পছন্দমতো সাজানো ঘুমানোর পরিবেশে শেষ রাতটি কাটান। তাঁদের ঘুমের স্কোরের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। এতে সবার চেয়ে এগিয়ে থেকে বিজয়ী হন জিনিয়া চ্যাটার্জি।

২০১৯ সালে চালু হয় এই স্লিপ ইন্টার্নশিপ। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি আসরে ১০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়ে। এসব আসরে ৬৫ জন ইন্টার্ন প্রত্যেকে এক লাখ রুপি করে ভাতা পেয়েছেন।

পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি, অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি গেল ইতালীয় শেফের

পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি, অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি গেল ইতালীয় শেফের

পিৎজায় আনারস ব্যবহারে আপত্তি জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি হারিয়েছেন ইতালীয় এক শেফ। নিজের সংস্কৃতির প্রতি অপমানজনক দাবি করে পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধের জেরে চাকরি হারানোর পর অস্ট্রেলিয়ার ‘ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশনে’ (এফডব্লিউসি)

প্রথম জন্মদিনের দুই দিন আগে গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল বেবি ডনের

প্রথম জন্মদিনের দুই দিন আগে গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল বেবি ডনের

বেবি ডন। আদর করে এই নাম দিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। প্রথম জন্মদিন উদ্‌যাপনের আর বাকি দুই দিন। পরিবারের সবাই মিলে পরিকল্পনা করছে দারুণ এক আয়োজনের। আর সে সময়ই গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল এক শিশুর। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

৪৮ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট, তৃষ্ণা মেটান কী দিয়ে

৪৮ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট, তৃষ্ণা মেটান কী দিয়ে

বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট জানিয়েছেন, প্রায় ৪৮ বছর ধরে তিনি পানি পান করেন না। পানির বিপরীতে তাঁর পছন্দের পানীয় চেরি কোক। সাধারণ পানি কিংবা স্পার্কলিং ওয়াটারের পরিবর্তে কোমল পানীয় দিয়েই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় টার্গেট

ঘুমিয়ে মিলল ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ফ্রিতে ছুটি কাটানোর সুযোগ

প্রকাশ: ০৫:০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

বাড়ি ও আসবাবপত্রবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ওয়েকফিট এ ব্যতিক্রমী ইন্টার্নশিপের আয়োজন করে। এতে অংশগ্রহণকারীদের ঘুমকে অগ্রাধিকার দিতে, নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যেতে এবং নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি মেনে চলতে হতো। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে সৃজনশীল কিছু চ্যালেঞ্জেও অংশ নিতে হয়েছে তাঁদের।

দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে কয়েক দফা বাছাই ও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ১০ জনকে নির্বাচন করা হয়। প্রায় ৬০ দিন ধরে তাঁরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এ সময় প্রত্যেকের ঘুমের মান ও সময়ের হিসাব রাখা হতো। প্রতিদিনের স্কোরের ভিত্তিতে তৈরি করা হতো প্রতিযোগীদের অবস্থানসংবলিত তালিকা।

তবে প্রতিযোগিতাটি শুধু পর্যাপ্ত ঘুমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের সৃজনশীলতারও প্রমাণ দিতে হয়েছে।

প্রতি সপ্তাহে দেওয়া কাজগুলোর মধ্যে ছিল ‘স্লিপ সিনেমা’। এ চ্যালেঞ্জে প্রতিযোগীদের বিখ্যাত সিনেমার দৃশ্য ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন আঙ্গিকে পুনর্নির্মাণ করতে হতো। আরেকটি চ্যালেঞ্জ ছিল ‘স্লিপ বিঙ্গো’। এতে এক সপ্তাহের ঘুমের অভ্যাস মূল্যায়ন করতে হতো অংশগ্রহণকারীদের।

সবচেয়ে ব্যতিক্রমী কাজগুলোর একটি ছিল ‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’। এ চ্যালেঞ্জে কথোপকথনের সময় অন্যদের বুঝতে না দিয়ে ‘ব্ল্যাঙ্কেট’ অথবা ‘পিলো’—এই দুটি শব্দের যেকোনো একটি ১০ বার ব্যবহার করতে হতো প্রতিযোগীদের।

প্রতি সপ্তাহে সেরা পারফরমারকে দেওয়া হতো ‘প্রো স্লিপার অব দ্য উইক’ খেতাব।

দুই মাস পর প্রতিযোগিতার শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেন জিনিয়া চ্যাটার্জি, রত্নগিরি মানিকান্দন ও মেহেক খোট। তবে প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল চ্যালেঞ্জ জিতে ওয়াইল্ডকার্ড পেয়ে আবার প্রতিযোগিতায় ফিরে আসেন হায়দরাবাদের করিম খান। ফলে চূড়ান্ত পর্বে প্রতিযোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় চারজনে।

‘বিগ বেড’ নামের চূড়ান্ত পর্বে ছিল দুটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথমটির নাম ‘মেমোরি ফোম চ্যালেঞ্জ’। এতে রেফারেন্স ছবি দেখে একটি শোবার ঘরের সাজসজ্জা হুবহু তৈরি করতে হতো প্রতিযোগীদের। এর মাধ্যমে তাঁদের পর্যবেক্ষণক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি ও দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা যাচাই করা হয়।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটির নাম ছিল ‘স্লিপ অকশন’। এতে প্রতিযোগীদের ঘুমানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ ও পরিবেশ নিলামে দর হাঁকে সংগ্রহ করতে হয়েছে। এসবের মধ্যে ছিল বালিশ, কম্বল, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, আলো ও শব্দের সেটিংস।

এরপর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীরা নিজেদের পছন্দমতো সাজানো ঘুমানোর পরিবেশে শেষ রাতটি কাটান। তাঁদের ঘুমের স্কোরের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। এতে সবার চেয়ে এগিয়ে থেকে বিজয়ী হন জিনিয়া চ্যাটার্জি।

২০১৯ সালে চালু হয় এই স্লিপ ইন্টার্নশিপ। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি আসরে ১০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়ে। এসব আসরে ৬৫ জন ইন্টার্ন প্রত্যেকে এক লাখ রুপি করে ভাতা পেয়েছেন।

পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি, অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি গেল ইতালীয় শেফের

পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি, অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি গেল ইতালীয় শেফের

পিৎজায় আনারস ব্যবহারে আপত্তি জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি হারিয়েছেন ইতালীয় এক শেফ। নিজের সংস্কৃতির প্রতি অপমানজনক দাবি করে পিৎজায় আনারস দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধের জেরে চাকরি হারানোর পর অস্ট্রেলিয়ার ‘ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশনে’ (এফডব্লিউসি)

প্রথম জন্মদিনের দুই দিন আগে গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল বেবি ডনের

প্রথম জন্মদিনের দুই দিন আগে গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল বেবি ডনের

বেবি ডন। আদর করে এই নাম দিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। প্রথম জন্মদিন উদ্‌যাপনের আর বাকি দুই দিন। পরিবারের সবাই মিলে পরিকল্পনা করছে দারুণ এক আয়োজনের। আর সে সময়ই গলায় বেলুন আটকে প্রাণ গেল এক শিশুর। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

৪৮ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট, তৃষ্ণা মেটান কী দিয়ে

৪৮ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট, তৃষ্ণা মেটান কী দিয়ে

বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট জানিয়েছেন, প্রায় ৪৮ বছর ধরে তিনি পানি পান করেন না। পানির বিপরীতে তাঁর পছন্দের পানীয় চেরি কোক। সাধারণ পানি কিংবা স্পার্কলিং ওয়াটারের পরিবর্তে কোমল পানীয় দিয়েই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।