আটক ব্যক্তিরা হলেন—মহেশপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত শক্কুর আলীর ছেলে মো. ইসানুর (৪৫) এবং নেবুর আলীর ছেলে মো. ইনতাদুল ইসলাম (৪৬)। তাঁরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা।
ঝিনাইদহ র্যাব-৬ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইমাম মুবীন সরকার সুমন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁরা জানতে পারেন, মহেশপুর উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের মালাধরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের চার রাস্তার মোড় দিয়ে মাদকদ্রব্য পরিবহন করা হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৬-এর একটি দল সেখানে চেকপোস্ট বসায়।
এ সময় একটি নীল রঙের ইজিবাইকে করে ফেনসিডিল পরিবহনের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের কাছ থেকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মহেশপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকসহ তাঁদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোঁটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দেশলাই ও গ্যাস লাইটারসহ কোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।
সেলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের ঘরামী বলেন, ‘গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। খাট কিংবা চেয়ারে বসিয়ে কাঁধে করে রোগীকে নিয়ে যেতে হয়। সড়কের কিছু জায়গায় বালুর বস্তা, গাছ ও বাঁশ দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করতে হচ্ছে।’
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্র হাফেজি পাস করার পর ভালোভাবে কোরআন মুখস্থ করতে প্রায় এক বছর আগে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, গত এক বছর ধরে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 























