জুমার নামাজ জোহরের ওয়াক্তেই আদায় করা হয় এবং এটি জোহরের নামাজের স্থলাভিষিক্ত। তবে আদায়ের পদ্ধতি, জামাত, খুতবা ও কিছু বিধানের ক্ষেত্রে জুমা ও জোহরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। নিচে জুমা ও জোহর নামাজের পাঁচটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—
জুমার ফরজ নামাজ ২ রাকাত, যা ইমামের পেছনে জামাতে আদায় করা আবশ্যক। অন্যদিকে সাধারণ দিনে জোহরের ফরজ নামাজ ৪ রাকাত, যা জামাতে বা একাকী—দুভাবেই আদায় করা যায়।
জুমার নামাজের ক্ষেত্রে ফরজের আগে ৪ রাকাত কাবলাল জুমা এবং পরে ৪ রাকাত বা’দাল জুমা (সুন্নতে মুয়াক্কাদা) আদায় করতে হয়। অন্যদিকে জোহরের নামাজের ক্ষেত্রে ফরজের আগে ৪ রাকাত এবং ফরজের পরে ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা পড়ার বিধান রয়েছে।
জুমার নামাজের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো খুতবা। নামাজ শুরু করার আগে ইমাম সাহেব দুটি খুতবা প্রদান করেন, যা শোনা উপস্থিত সব মুসল্লির জন্য ওয়াজিব বা আবশ্যক। জোহরের নামাজের জন্য এ ধরনের কোনো খুতবা নেই।
ইসলামে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। জুমার নামাজের আগে-পরে সুরা কাহাফ তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, তওবা-ইস্তিগফার এবং বিশেষ দোয়ার আমল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফজিলত জোহরের সাধারণ ওয়াক্তের চেয়ে অনেক বেশি। তবে এসব নফল আমল জুমার নামাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ বা বাধ্যতামূলক নয়, বরং এগুলো ঐচ্ছিক ও সওয়াব বৃদ্ধির মাধ্যম।
জুমার নামাজ একাকী আদায় করা যায় না; এটি আদায়ের জন্য সর্বনিম্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসল্লির জামাত এবং এলাকাটি শহর বা শহরতলি হওয়া আবশ্যক। কিন্তু জোহরের নামাজ জামাত ছাড়াও এককভাবে যেকোনো স্থানে আদায় করা সম্ভব।
ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি ও পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো নামাজ। কালিমার মাধ্যমে ইমান আনয়নের পর একজন মুসলমানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। সঠিক নিয়ম মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক বা ফরজ।
সুস্থতা মহান আল্লাহর দেওয়া অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। তবে মানুষের জীবনে অসুস্থতা আসা অস্বাভাবিক নয়; এটি কখনো গুনাহ মাফের মাধ্যম, আবার কখনো ধৈর্যের পরীক্ষা। ইসলাম অসুস্থ হলে যেমন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ওষুধ সেবনের তাগিদ দিয়েছে, তেমনি শিখিয়েছে মহান শাফি বা আরোগ্যদাতার দরবারে দোয়া করার পদ্ধতি।
ইসলামে নফল ইবাদতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার পূর্বে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্য তাহাজ্জুদ আদায় করা বাধ্যতামূলক ছিল। তিনি নিয়মিত এই নামাজ পড়তেন…
দৈনিক টার্গেট 

























