ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নিহতেরা হলেন—হোটেলের মালিক হেলেনা ভারালি, তাঁর ছেলে দেবর্ষি কাশ্যপ, দেবর্ষির স্ত্রী রিনিকি কাশ্যপ, পরিবারের আত্মীয় নারায়ণ দাস এবং হেলেনার ভাই ভূদেব ভারালি। গুলিবিদ্ধ সত্যেন্দ্র পাঠক নামে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও এক ব্যক্তি গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহন্ত সাংবাদিকদের জানান, গুলিতে মোট ছয়জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজনের চিকিৎসা চলছে। হামলায় ব্যবহৃত পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি বৈধ লাইসেন্সধারী পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, হোটেলের লিজ চুক্তি নিয়ে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিহত ও আহত প্রত্যেকেই হোটেলের মালিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হোটেলটি যিনি লিজ নিয়েছিলেন, তিনিই গুলি চালিয়ে তাঁদের হত্যা করেছেন।’
ঘটনার আগে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে গুলিচালনা শুরু হয়, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তিনি আরও লেখেন, ‘এই ঘটনা গুয়াহাটিতে জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে এই ঘটনার দায় নিতে হবে এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধের দিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে।’

দৈনিক টার্গেট 

























