প্রাণহানির ঘটনায় লেবাননে রাষ্ট্রীয় শোক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০৩ বার পঠিত হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে লেবাননে ইসরাইলের বড় ধরনের সামরিক হামলার ঘটনায়। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় চালানো একাধিক হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ হাজার ১৬৫ জন।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পরপরই হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হামলার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে লেবানন সরকার দেশজুড়ে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সরকারি সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লেবাননের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এর মধ্যে বালবেক, নাবাতিহ, সিডন এবং টায়ার এলাকায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অনেক স্থানে আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, চলমান সংঘাত থামাতে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও ইসরাইল ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এ ধরনের হামলা বেসামরিক মানুষের জন্য বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় তৈরি করছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত প্রায় ১৫ মাসে বহুবার সেই সমঝোতা লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলেও তারা অভিযোগ করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলাকে তারা মানবিক মূল্যবোধের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা হিসেবে দেখছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা স্বল্প সময়ের মধ্যে লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর দাবি, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই বৈরুত, বেকা ভ্যালি এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

ইসরাইলের সেনাপ্রধান ইয়েল জামির জানিয়েছেন, তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

প্রাণহানির ঘটনায় লেবাননে রাষ্ট্রীয় শোক

প্রকাশ: ১০:০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে লেবাননে ইসরাইলের বড় ধরনের সামরিক হামলার ঘটনায়। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় চালানো একাধিক হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ হাজার ১৬৫ জন।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পরপরই হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হামলার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে লেবানন সরকার দেশজুড়ে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সরকারি সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লেবাননের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এর মধ্যে বালবেক, নাবাতিহ, সিডন এবং টায়ার এলাকায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অনেক স্থানে আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, চলমান সংঘাত থামাতে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও ইসরাইল ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এ ধরনের হামলা বেসামরিক মানুষের জন্য বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় তৈরি করছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত প্রায় ১৫ মাসে বহুবার সেই সমঝোতা লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলেও তারা অভিযোগ করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলাকে তারা মানবিক মূল্যবোধের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা হিসেবে দেখছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা স্বল্প সময়ের মধ্যে লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর দাবি, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই বৈরুত, বেকা ভ্যালি এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

ইসরাইলের সেনাপ্রধান ইয়েল জামির জানিয়েছেন, তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।