বিশ্বকাপে নজরে আমেরিকান নারী রেফারি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ১৬৩ বার পঠিত হয়েছে

ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের রেফারি টরি পেনসো। চলমান ফিফা বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তিনি এমন এক কৃতিত্বের পথে এগোচ্ছেন, যা আমেরিকান ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করবে। পুরুষদের বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করা প্রথম আমেরিকান নারী রেফারি হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন তিনি।

বিশ্ব ফুটবলে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণ ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নারী রেফারিরা পুরুষদের বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান। সেই ঐতিহাসিক তালিকায় ছিলেন ফ্রান্সের স্টেফানি ফ্র্যাপ্পার্ট, জাপানের ইয়োশমি ইয়ামাশিতা এবং রুয়ান্ডার সালিমা মুকানসাঙ্গা। তাদের পথ অনুসরণ করেই এবার নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ পেয়েছেন পেনসো।

দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও ধারাবাহিক উন্নতির ফল হিসেবে বিশ্বকাপের এই দায়িত্বকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল উইমেন্স সকার লিগে রেফারিং শুরু করেন তিনি। পরে ইউএসএল চ্যাম্পিয়নশিপে দায়িত্ব পালন করে ধাপে ধাপে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) জায়গা করে নেন। ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত এমএলএসে ম্যাচ পরিচালনা করছেন তিনি।

২০২১ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের পর পেনসোর ক্যারিয়ার আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই ম্যাচ পরিচালনার মাধ্যমে প্রথম আমেরিকান রেফারি হিসেবে কোনো ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনার গৌরব অর্জন করেন।

চলমান বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত আটজন ম্যাচ কর্মকর্তার একজন পেনসো। এই তালিকায় রেফারি, সহকারী রেফারি এবং ভিডিও ম্যাচ অফিসিয়ালরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নিজের যাত্রাপথ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পেনসো বলেন, তিনি একজন সাধারণ স্বপ্নবাজ মানুষ ছিলেন, যিনি কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তার বিশ্বাস, এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে এবং আরও অনেক তরুণ-তরুণীকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে তার উপস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের প্রতীক নয়, বরং ফুটবলে নারী রেফারিদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও গ্রহণযোগ্যতারও শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।

বিশ্বকাপে নজরে আমেরিকান নারী রেফারি

প্রকাশ: ১১:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের রেফারি টরি পেনসো। চলমান ফিফা বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তিনি এমন এক কৃতিত্বের পথে এগোচ্ছেন, যা আমেরিকান ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করবে। পুরুষদের বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করা প্রথম আমেরিকান নারী রেফারি হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন তিনি।

বিশ্ব ফুটবলে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণ ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নারী রেফারিরা পুরুষদের বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান। সেই ঐতিহাসিক তালিকায় ছিলেন ফ্রান্সের স্টেফানি ফ্র্যাপ্পার্ট, জাপানের ইয়োশমি ইয়ামাশিতা এবং রুয়ান্ডার সালিমা মুকানসাঙ্গা। তাদের পথ অনুসরণ করেই এবার নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ পেয়েছেন পেনসো।

দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও ধারাবাহিক উন্নতির ফল হিসেবে বিশ্বকাপের এই দায়িত্বকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল উইমেন্স সকার লিগে রেফারিং শুরু করেন তিনি। পরে ইউএসএল চ্যাম্পিয়নশিপে দায়িত্ব পালন করে ধাপে ধাপে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) জায়গা করে নেন। ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত এমএলএসে ম্যাচ পরিচালনা করছেন তিনি।

২০২১ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের পর পেনসোর ক্যারিয়ার আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই ম্যাচ পরিচালনার মাধ্যমে প্রথম আমেরিকান রেফারি হিসেবে কোনো ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনার গৌরব অর্জন করেন।

চলমান বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত আটজন ম্যাচ কর্মকর্তার একজন পেনসো। এই তালিকায় রেফারি, সহকারী রেফারি এবং ভিডিও ম্যাচ অফিসিয়ালরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নিজের যাত্রাপথ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পেনসো বলেন, তিনি একজন সাধারণ স্বপ্নবাজ মানুষ ছিলেন, যিনি কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তার বিশ্বাস, এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে এবং আরও অনেক তরুণ-তরুণীকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে তার উপস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের প্রতীক নয়, বরং ফুটবলে নারী রেফারিদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও গ্রহণযোগ্যতারও শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।