সরকারের ওপর হতাশার দায় দিলেন চরমোনাই

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৬৯ বার পঠিত হয়েছে

নোয়াখালীতে আয়োজিত এক যৌথ সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা অবস্থা ও জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও স্বৈরাচারী শাসনের কারণেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছিল। তবে সেই আন্দোলনের পর যে পরিবর্তনের আশা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর মাইজদি বাজারে জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর এসব কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম ধীরগতির হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তার মতে, এই পরিস্থিতির দায় এড়ানোর সুযোগ সরকারের নেই।

সভায় তিনি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং স্বাস্থ্যখাতে দুর্বল ব্যবস্থাপনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এখনো স্বস্তি পাচ্ছে না। হাম রোগে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলোও সরকারের প্রস্তুতির ঘাটতি প্রকাশ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রেজাউল করীম আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সংশ্লিষ্ট কিছু অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা ক্ষুণ্ন হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল মানুষের কষ্ট কমানো এবং ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধ করা। সেই লক্ষ্য পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে মাঠে সক্রিয় থাকতে হবে এবং মানুষের সমস্যা-সংকটে পাশে দাঁড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ত আন্দোলন জোরদারেরও আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের ওপর হতাশার দায় দিলেন চরমোনাই

প্রকাশ: ১০:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নোয়াখালীতে আয়োজিত এক যৌথ সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা অবস্থা ও জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও স্বৈরাচারী শাসনের কারণেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছিল। তবে সেই আন্দোলনের পর যে পরিবর্তনের আশা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর মাইজদি বাজারে জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর এসব কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম ধীরগতির হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তার মতে, এই পরিস্থিতির দায় এড়ানোর সুযোগ সরকারের নেই।

সভায় তিনি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং স্বাস্থ্যখাতে দুর্বল ব্যবস্থাপনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এখনো স্বস্তি পাচ্ছে না। হাম রোগে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলোও সরকারের প্রস্তুতির ঘাটতি প্রকাশ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রেজাউল করীম আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সংশ্লিষ্ট কিছু অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা ক্ষুণ্ন হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল মানুষের কষ্ট কমানো এবং ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধ করা। সেই লক্ষ্য পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে মাঠে সক্রিয় থাকতে হবে এবং মানুষের সমস্যা-সংকটে পাশে দাঁড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ত আন্দোলন জোরদারেরও আহ্বান জানান তিনি।