বিরোধীদের লংমার্চের কারণে জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে: রাশেদ খাঁন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:১০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০০ বার পঠিত হয়েছে

আজ শনিবার সকালে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, মহাসড়ক অবরুদ্ধ করা এবং এ কর্মসূচিতে আনুমানিক এক লাখ লিটার জ্বালানি অপচয়ের ফলে দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনি হওয়ায় এ সড়কে হাজার হাজার পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, যা রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার অর্থনৈতিক লোকসান ঘটাচ্ছে।

বিদ্যমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, বর্তমান সংকটটি অতীতের অব্যবস্থাপনার ফল। তিনি লেখেন, ‘ছয় মাসের সরকারের ওপর গত ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল।’

অন্যদিকে, বিরোধী ৯ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই লংমার্চ মূলত একাধিক নাগরিক ও রাজনৈতিক দাবি আদায়ের অংশ। জোটের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

উল্লেখ্য, শুরুতে এই জোটে ১১টি দল থাকলেও সম্প্রতি দুটি দল জোট ত্যাগ করায় বর্তমানে এটি ৯ দলীয় জোটে রূপান্তরিত হয়েছে।

গত আগস্টে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত একটি কর্মসূচি থেকে দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন জোটটির শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী:

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমাদের এই লংমার্চ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। যারা সিন্ডিকেট করে তেল-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে—তাদের বিরুদ্ধে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, গন্তব্যের পথে বাধা আসলে আমরা লড়াই করতেই নেমেছি। জনগণের অধিকারের জন্য আমরা আমাদের গন্তব্যে ইনশা আল্লাহ পৌঁছাব, কোনো বাধাকেই আমরা পরোয়া করব না।

লংমার্চ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

বিরোধীদের লংমার্চের কারণে জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে: রাশেদ খাঁন

প্রকাশ: ০১:১০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ শনিবার সকালে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, মহাসড়ক অবরুদ্ধ করা এবং এ কর্মসূচিতে আনুমানিক এক লাখ লিটার জ্বালানি অপচয়ের ফলে দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনি হওয়ায় এ সড়কে হাজার হাজার পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, যা রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার অর্থনৈতিক লোকসান ঘটাচ্ছে।

বিদ্যমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, বর্তমান সংকটটি অতীতের অব্যবস্থাপনার ফল। তিনি লেখেন, ‘ছয় মাসের সরকারের ওপর গত ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল।’

অন্যদিকে, বিরোধী ৯ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই লংমার্চ মূলত একাধিক নাগরিক ও রাজনৈতিক দাবি আদায়ের অংশ। জোটের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

উল্লেখ্য, শুরুতে এই জোটে ১১টি দল থাকলেও সম্প্রতি দুটি দল জোট ত্যাগ করায় বর্তমানে এটি ৯ দলীয় জোটে রূপান্তরিত হয়েছে।

গত আগস্টে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত একটি কর্মসূচি থেকে দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন জোটটির শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী:

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমাদের এই লংমার্চ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। যারা সিন্ডিকেট করে তেল-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে—তাদের বিরুদ্ধে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, গন্তব্যের পথে বাধা আসলে আমরা লড়াই করতেই নেমেছি। জনগণের অধিকারের জন্য আমরা আমাদের গন্তব্যে ইনশা আল্লাহ পৌঁছাব, কোনো বাধাকেই আমরা পরোয়া করব না।

লংমার্চ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।