নারীদের অপমান ইসলাম সমর্থন করে না: মিতু

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ১২৩ বার পঠিত হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও নারীদের অপমানজনক ভাষায় আক্রমণ করার প্রবণতার সমালোচনা করেছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি বলেছেন, মতের পার্থক্য থাকলেও কাউকে হেয় বা অপমান করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ইসলাম মানুষের প্রতি সম্মান, সংযম ও ভদ্র আচরণের শিক্ষা দেয়। তাই ভিন্ন মত, পোশাক বা চিন্তার কারণে কোনো নারীকে কটূক্তি করা কিংবা অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ডা. মিতু বলেন, মতবিরোধ বা সমালোচনা গণতান্ত্রিক সমাজের অংশ হলেও ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে কাউকে অপদস্থ করা কোনো সভ্য আচরণ নয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে এখন খুব সহজেই মানুষ অন্যকে অপমানজনক ভাষায় আক্রমণ করছে, যা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

তার এই বক্তব্যের পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকে মনে করছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক শালীনতা রক্ষায় এমন বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৫ অক্টোবর ২০২৬

নারীদের অপমান ইসলাম সমর্থন করে না: মিতু

প্রকাশ: ০৯:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও নারীদের অপমানজনক ভাষায় আক্রমণ করার প্রবণতার সমালোচনা করেছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি বলেছেন, মতের পার্থক্য থাকলেও কাউকে হেয় বা অপমান করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ইসলাম মানুষের প্রতি সম্মান, সংযম ও ভদ্র আচরণের শিক্ষা দেয়। তাই ভিন্ন মত, পোশাক বা চিন্তার কারণে কোনো নারীকে কটূক্তি করা কিংবা অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ডা. মিতু বলেন, মতবিরোধ বা সমালোচনা গণতান্ত্রিক সমাজের অংশ হলেও ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে কাউকে অপদস্থ করা কোনো সভ্য আচরণ নয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে এখন খুব সহজেই মানুষ অন্যকে অপমানজনক ভাষায় আক্রমণ করছে, যা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

তার এই বক্তব্যের পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকে মনে করছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক শালীনতা রক্ষায় এমন বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।