আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি, আর সে লক্ষ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার নানা দিক নিয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়, যা সরকার ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার শুধু প্রশাসনিক কাঠামো নয় এটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। এ খাতকে শক্তিশালী করা গেলে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হবে। এ কারণে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। তাই জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে কাজ করার জন্য তিনি ডিসিদের প্রতি আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ তাদের সঙ্গে নিয়েই প্রশাসনকে এগোতে হবে।
বিগত সময়গুলোতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করা হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, তারেক রহমান-এর ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।
সব মিলিয়ে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে নির্বাচন আয়োজন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ এই তিনটি বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
দৈনিক টার্গেট 


























