ডা. তাসনিম জারা নেপাল সফর নিয়ে ছড়ানো ভুয়া খবর খণ্ডন করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন কোনো মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক হয়নি

তাসনিম জারা মিথ্যা গুজবের জবাব

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:২৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫
  • ২০৫ বার পঠিত হয়েছে

তাসনিম জারা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা নেপাল ভ্রমণ নিয়ে ছড়ানো অনলাইন গুজবের সরাসরি জবাব দিয়েছেন। ২২ আগস্ট, শুক্রবার তিনি ফেসবুকে প্রকাশিত এক পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং বিভ্রান্তিকর খবরের সত্যতা ভেঙে বলেছেন।

ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, তার নেপাল সফর ছিল নেপাল সরকারের আমন্ত্রণে, যেখানে তিনি ‘নিরাপদ বাতাস ও স্বাস্থ্যের ওপর দূষণের প্রভাব’ শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, এই সফরে তার সঙ্গে কোনো মার্কিন কর্মকর্তার বৈঠক হয়নি, মিটিং তো দূরের কথা। তবে ভারতের একটি অনলাইন পোর্টাল ভুয়া সংবাদ ছাপিয়েছিল যে তিনি এক মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করেছেন।

ডা. তাসনিম আরো স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও কক্সবাজারে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের মতো ভুয়া অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্ট মিডিয়া নিজেরাই সংবাদটি মিথ্যা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছিল।

তিনি জানিয়েছেন, ১১ আগস্ট এনসিপির পক্ষ থেকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একটি প্রকাশ্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পার্টির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, তিনি নিজে এবং একজন যুগ্ম সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল এবং একই সময়ে বিএনপি ও জামায়াতও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ডা. তাসনিম। তিনি বলেন, “আমাদের বৈঠকের সময় একটি সংবাদমাধ্যম গোয়েন্দাদের সরবরাহ করা ছবি প্রকাশ করেছে, যা দেখে মনে হয় আমি কোনো গোপন বৈঠক করছি। অথচ বিএনপি বা জামায়াতের ক্ষেত্রে এমনটা করা হয়নি। গোয়েন্দার কাজ কি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না মিডিয়ার ফটোগ্রাফারের ভূমিকা পালন করা?”

ডা. তাসনিম জারা অভিযোগ করেছেন, আগস্ট মাসে অন্তত তিনবার একই ধরনের মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং সবসময় গোয়েন্দা সংস্থার নাম উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, আওয়ামীপন্থী গণমাধ্যম এসব প্রচারণায় ভূমিকা রাখছে।

শেষে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, “মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে আমাকে দমানো যাবে না। আমি আমার কাজ চালিয়ে যাব এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখব। সত্যই শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকবে, মিথ্যা ধ্বংস হবে।”

ডা. তাসনিম জারা নেপাল সফর নিয়ে ছড়ানো ভুয়া খবর খণ্ডন করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন কোনো মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক হয়নি

তাসনিম জারা মিথ্যা গুজবের জবাব

প্রকাশ: ১০:২৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা নেপাল ভ্রমণ নিয়ে ছড়ানো অনলাইন গুজবের সরাসরি জবাব দিয়েছেন। ২২ আগস্ট, শুক্রবার তিনি ফেসবুকে প্রকাশিত এক পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং বিভ্রান্তিকর খবরের সত্যতা ভেঙে বলেছেন।

ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, তার নেপাল সফর ছিল নেপাল সরকারের আমন্ত্রণে, যেখানে তিনি ‘নিরাপদ বাতাস ও স্বাস্থ্যের ওপর দূষণের প্রভাব’ শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, এই সফরে তার সঙ্গে কোনো মার্কিন কর্মকর্তার বৈঠক হয়নি, মিটিং তো দূরের কথা। তবে ভারতের একটি অনলাইন পোর্টাল ভুয়া সংবাদ ছাপিয়েছিল যে তিনি এক মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করেছেন।

ডা. তাসনিম আরো স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও কক্সবাজারে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের মতো ভুয়া অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্ট মিডিয়া নিজেরাই সংবাদটি মিথ্যা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছিল।

তিনি জানিয়েছেন, ১১ আগস্ট এনসিপির পক্ষ থেকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একটি প্রকাশ্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পার্টির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, তিনি নিজে এবং একজন যুগ্ম সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল এবং একই সময়ে বিএনপি ও জামায়াতও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ডা. তাসনিম। তিনি বলেন, “আমাদের বৈঠকের সময় একটি সংবাদমাধ্যম গোয়েন্দাদের সরবরাহ করা ছবি প্রকাশ করেছে, যা দেখে মনে হয় আমি কোনো গোপন বৈঠক করছি। অথচ বিএনপি বা জামায়াতের ক্ষেত্রে এমনটা করা হয়নি। গোয়েন্দার কাজ কি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না মিডিয়ার ফটোগ্রাফারের ভূমিকা পালন করা?”

ডা. তাসনিম জারা অভিযোগ করেছেন, আগস্ট মাসে অন্তত তিনবার একই ধরনের মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং সবসময় গোয়েন্দা সংস্থার নাম উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, আওয়ামীপন্থী গণমাধ্যম এসব প্রচারণায় ভূমিকা রাখছে।

শেষে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, “মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে আমাকে দমানো যাবে না। আমি আমার কাজ চালিয়ে যাব এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখব। সত্যই শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকবে, মিথ্যা ধ্বংস হবে।”