জেলা প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অষ্টগ্রাম হাওর পরিদর্শন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৩৪ বার পঠিত হয়েছে

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাওরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বোরো ধান কাটার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ এ পানিবৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আজ অষ্টগ্রাম হাওরে যান কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি ডুবে যাওয়া ধানক্ষেত ঘুরে দেখেন এবং সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ হাসান বাবু উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে হাওরের পানি দ্রুত বেড়ে গিয়ে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পুরো মৌসুমের পরিশ্রমে ফলানো ধান ঘরে তোলার আগমুহূর্তেই পানি ঢুকে সবকিছু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হাওর এলাকার কৃষকদের দাবি, এই আকস্মিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দ্রুত কার্যকর সহায়তা ও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

জেলা প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অষ্টগ্রাম হাওর পরিদর্শন

প্রকাশ: ০৯:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাওরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বোরো ধান কাটার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ এ পানিবৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আজ অষ্টগ্রাম হাওরে যান কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি ডুবে যাওয়া ধানক্ষেত ঘুরে দেখেন এবং সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ হাসান বাবু উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে হাওরের পানি দ্রুত বেড়ে গিয়ে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পুরো মৌসুমের পরিশ্রমে ফলানো ধান ঘরে তোলার আগমুহূর্তেই পানি ঢুকে সবকিছু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হাওর এলাকার কৃষকদের দাবি, এই আকস্মিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দ্রুত কার্যকর সহায়তা ও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।