এই ধারার শুরু মিয়ানমারে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির সামরিক বাহিনী নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ব্যাপক জনবিক্ষোভ শুরু হয়। গণতান্ত্রিক বৈধতা নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ ছাড়াই নতুন সামরিক সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক সহিংস দমন-পীড়ন চালায়। শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটির এক প্রজন্মের তরুণের সামনে সশস্ত্র জাতিগত সংগঠনগুলোর সঙ্গে মিলে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তোলা ছাড়া কার্যত আর কোনো পথ থাকেনি।
এর ফল হয় দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ।
এরপর, ২০২২ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কায় শুরু হওয়া ‘আরাগালায়া’ আন্দোলনের মূল কারণ ছিল ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট। পাম্পে জ্বালানি না থাকা, দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকা এবং দেশের সার্বভৌম ঋণ পরিশোধে অক্ষমতা রাজাপাকসা পরিবারের বৈধতা ও জনসমর্থন ধ্বংস করে দেয়। পরিবারটি প্রায় দুই দশক ধরে শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল।
দ্বীপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করে নেন। তবে মিয়ানমারের মতো শ্রীলঙ্কায় সহিংসতা বাড়েনি, দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংঘাত তো নয়ই। বরং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসা জনগণের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন এবং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পদত্যাগ করেন।
২০২৩ সালের মে মাসে পাকিস্তানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক দাঙ্গা ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ছিল এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে একজন জনপ্রিয় ও ক্যারিশম্যাটিক নেতাকে কেন্দ্র করে একটি জনতুষ্টিবাদী আন্দোলন সামরিক বাহিনীর আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। জবাবে সরকার সেনা মোতায়েন করে, ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় এবং বিরোধী দলের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে দেয়। ফলে পাকিস্তানের ‘হাইব্রিড’ শাসনব্যবস্থা টিকে যায়। তবে এর মূল্য ছিল দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ও জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক আস্থার সংকট।
এরপর, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের আন্দোলন দেখিয়ে দেয়, কীভাবে একটি সীমিত নীতিগত বিরোধও একটি বিপ্লবে পরিণত হতে পারে। সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দাবি নিয়ে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় আন্দোলন দ্রুত বড় আকার নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসিনা কারফিউ জারি করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেন। কারফিউ ভঙ্গকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সামরিক বাহিনী সেই নির্দেশ পালনে অস্বীকৃতি জানায়। এর পরই হাসিনার ক্ষমতা ধরে রাখার সক্ষমতা ভেঙে পড়ে। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পথ তৈরি হয়।
বাংলাদেশের এক বছর পর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে শুরু হওয়া বিক্ষোভ কোনো একক নেতাকে লক্ষ্য করে হয়নি। বরং এর লক্ষ্য ছিল দেশটির একটি অলিগার্কিক বা ক্ষমতাধর রাজনৈতিক শ্রেণি। এই রাজনৈতিক শ্রেণি প্রায় এক দশক ধরে প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে এক ধরনের ‘মিউজিক্যাল চেয়ার’ খেলায় ব্যস্ত ছিল। অন্যদিকে নেপালের অধিকাংশ তরুণ উচ্চ বেকারত্ব ও সীমিত সুযোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। হতাশ জেনারেশন জেডের কাছে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত ছিল শেষ ধাক্কা।
ভিপিএন ও বিকল্প অ্যাপ ব্যবহার করে নেপালের তরুণরা ব্যাপক বিক্ষোভ সংগঠিত করেন। কর্তৃপক্ষ শক্তি প্রয়োগ করে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। শেষ পর্যন্ত তারা রাজনৈতিক অভিজাতদের ক্ষমতার বাইরে ঠেলে দেন, তবে সংসদীয় কাঠামো ধ্বংস করেননি। এর পর নেপালের জনগণ ৩৫ বছর বয়সী একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে।
সবশেষে, চলতি গ্রীষ্মে ভারতে ব্যাপক শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় কর্মসংস্থানহীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে তরুণদের বাড়তে থাকা উদ্বেগ। তবে ভারতীয় আন্দোলন সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেনি। বরং এটি দেখিয়েছে যে দেশটির রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক কাঠামো এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী।
সরকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছাড় দেয়। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ করা হয় এবং প্রশাসনিক ও নীতিগত সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর লক্ষ্য ছিল আন্দোলনের শক্তিকে আবার প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে পরিচালিত করা।
এই ছয়টি ঘটনা দেখায় যে, অতিরিক্ত যোগাযোগের সুযোগের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতা যুক্ত হলে তা কতটা শক্তিশালী রাজনৈতিক সমন্বয় তৈরি করতে পারে। প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল-নেটিভ প্রজন্ম হিসেবে জেনারেশন জেড টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ডিসকর্ডের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর কাঠামো পাশ কাটিয়ে যায় এবং ব্যাপক জনসমাবেশ ও আন্দোলন সংগঠিত করে।
তবে জেনারেশন জেডের প্রতিবাদী রাজনীতির আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় আজকের তরুণদের মধ্যে এমন একটি ধারণা কাজ করে যে, তাদের হারানোর আর কিছু নেই। এর কারণও স্পষ্ট। উচ্চশিক্ষা থাকা সত্ত্বেও তরুণদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ফলে আজকের তরুণরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু সংস্কারের প্রয়োজন থাকা ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, একটি শিকারি ব্যবস্থা তাদের কাছ থেকে একটি কার্যকর ভবিষ্যৎ কেড়ে নিচ্ছে।
এই উপলব্ধি তাদের আন্দোলনে তীব্র ও অস্তিত্বগত জরুরি অনুভূতি তৈরি করছে। একই কারণে তারা রাষ্ট্রের মাধ্যমে নিজেদের আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রণ বা নিজেদের পক্ষে টেনে নেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও বেশি প্রতিরোধী। সামান্য বা ধাপে ধাপে দেওয়া ছাড় তাদের সন্তুষ্ট করে না। তারা সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক দমন-পীড়নের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত।
এই ছয়টি আন্দোলনের মধ্যে যেমন অনেক মিল রয়েছে, তেমনি এগুলো দেখিয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও কাঠামোর পার্থক্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মিয়ানমার ও পাকিস্তানের মতো এমন বন্ধ রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, যেখানে ক্ষমতা নিয়ে সমঝোতার সুযোগ নেই, জনঅসন্তোষ শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বিভাজন অথবা দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার দিকে যায়।
অন্যদিকে শেখ হাসিনার বাংলাদেশের মতো কঠোর বেসামরিক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আন্দোলনের পরিণতি হয় দুটি পথের একটিতে—হয় তা দমন করা হয়, নয়তো তা বিপ্লবে পরিণত হয়। এ ধরনের ব্যবস্থা সাধারণত নিজে থেকে নড়তে চায় না। কিন্তু একবার কোনো বড় ফাটল তৈরি হলে, যেমন সামরিক বাহিনী কোনো আদেশ পালন করতে অস্বীকৃতি জানালে, পুরো কাঠামোটিই ভেঙে পড়তে পারে।
এর বিপরীতে, যেসব রাজনৈতিক ব্যবস্থা ক্ষমতার পরিবর্তন বা প্রশাসনিক সমঝোতার সুযোগ দেয়, সেগুলো প্রজন্মগত বড় ধাক্কাও সামলাতে পারে। শ্রীলঙ্কা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করেছে। নেপাল একটি রাজনৈতিক পুনর্গঠনের পথ তৈরি করেছে, যার ফলে ‘বহিরাগত’ বা প্রচলিত রাজনৈতিক শক্তির জন্য নতুন জায়গা তৈরি হয়েছে। ভারতও দেখিয়েছে, একটি শক্তিশালী বহুদলীয় গণতন্ত্র কীভাবে অসন্তোষকে তা পুরো ব্যবস্থার সংকটে পরিণত হওয়ার আগেই ধারণ করতে পারে।
এই ঘটনাগুলো থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। প্রথমত, সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উদযাপন করা, কিন্তু তরুণদের বেকারত্ব ও পদ্ধতিগত দুর্নীতিকে উপেক্ষা করা অস্থিতিশীলতার পথ তৈরি করে। তরুণ প্রজন্ম অর্থনৈতিক সুযোগকে রাজনৈতিক জবাবদিহি থেকে আলাদা করে দেখে না। তাদের কাছে দুটিই পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। এবং আজ হোক বা কাল—তারা দুটিই দাবি করবে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত যোগাযোগ ও দ্রুত তথ্যপ্রবাহের এই যুগে সামরিক-নির্ভর শাসনব্যবস্থা খুব কমই কার্যকর। দমন-পীড়ন ও জোর প্রয়োগ সাময়িকভাবে বিরোধিতা থামিয়ে দিতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এগুলো রাষ্ট্রের বৈধতা ধ্বংস করে। এর ওপর নির্ভর করলে দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি হয়। তৃতীয়ত, পদ্ধতিগত দুর্নীতি দূর করা কেবল প্রথম ধাপ।
টেকসই প্রতিষ্ঠান, যেখানে গণতান্ত্রিক চাপ প্রকাশের নিরাপদ পথ রয়েছে এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষা মোকাবিলার বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলোও অপরিহার্য। এ কারণেই ভারতের সাম্প্রতিক আন্দোলন দেশটির গণতন্ত্রকে আরও দৃঢ় করেছে। অন্যদিকে নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশকে আন্দোলনের পর উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।
প্রায় দেড় দশক আগে শুরু হওয়া আরব বসন্তের বিপ্লবগুলো শেষ পর্যন্ত সামরিক পাল্টা-বিপ্লব, স্বৈরতন্ত্রের পুনরুত্থান অথবা প্রাতিষ্ঠানিক অচলাবস্থায় গিয়ে শেষ হয়েছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল ওই দেশগুলোর দুর্বল বা অনুপস্থিত গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং আন্দোলনগুলোর আদর্শিকভাবে অন্য শক্তির হাতে চলে যাওয়া। তবে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক সমাজের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। এখানে রয়েছে দীর্ঘদিনের সংসদীয় ঐতিহ্য, সক্রিয় ও শক্তিশালী নাগরিক সমাজ এবং কার্যকর সাংবিধানিক ব্যবস্থা।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যদি তরুণদের সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তিকে কার্যকর ও জনবান্ধব শাসনব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থান তৈরির সংস্কারে কাজে লাগাতে পারে, তাহলে তারা আরও উজ্জ্বল, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগোতে পারবে। এবং এর মাধ্যমে তারা এমন একটি উদাহরণ তৈরি করতে পারে, যেখানে গ্লোবাল সাউথ তার বিপুল তরুণ জনসংখ্যার শক্তিকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারে।
প্রজেক্ট সিন্ডিকেট থেকে অনুবাদ করেছেন আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান
গত প্রান্তিকে ভারতের অর্থনীতি ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের অধিকাংশ বড় অর্থনীতির জন্য এমন প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয়। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন অনুযায়ী দেশকে ‘উন্নত রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে এই প্রবৃদ্ধিও যথেষ্ট নাও হতে পারে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে এখন একটি প্রচলিত ধারণা তৈরি হয়েছে—ইরান জিতে গেছে। যুক্তিটা সরল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং বড় ধরনের ছাড় দিতে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু ইরান আত্মসমর্পণ করেনি। দেশটির সরকার এখনো ক্ষমতায়।
আফগানিস্তান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়েই যুদ্ধ জেতার চেয়ে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসাই কঠিন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সবচেয়ে দীর্ঘ যুদ্ধটি পাঁচ বছর আগে, এক রোববার, বিশৃঙ্খলা ও পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। তালেবানদের হাত থেকে পালিয়ে যেতে মরিয়া লাখ লাখ আফগান কাবুল বিমানবন্দরে ভিড় করেছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 



















