২ হাজার কোটি পাচার অভিযোগে তাসনিম দম্পতি তদন্তে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত হয়েছে

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক কূটনীতিক সাঈদা মুনা তাসনিম ও তার স্বামীর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

দুদকের একটি সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে পাঠানো চিঠির মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাব, কোম্পানির আর্থিক কার্যক্রম এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংস্থাটির উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, সাঈদা মুনা তাসনিম ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে গত বছর অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে যৌথভাবে একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তত ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ তুলে তা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটসহ (বিএফআইইউ) সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে দুদক। তবে তদন্তের স্বার্থে ডাকা হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তরা সংস্থাটির সামনে হাজির হননি।

এদিকে, একই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্য যাচাই শেষে আদালতের মাধ্যমে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২ হাজার কোটি পাচার অভিযোগে তাসনিম দম্পতি তদন্তে

প্রকাশ: ০৯:১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক কূটনীতিক সাঈদা মুনা তাসনিম ও তার স্বামীর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

দুদকের একটি সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে পাঠানো চিঠির মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাব, কোম্পানির আর্থিক কার্যক্রম এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংস্থাটির উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, সাঈদা মুনা তাসনিম ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে গত বছর অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে যৌথভাবে একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তত ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ তুলে তা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটসহ (বিএফআইইউ) সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে দুদক। তবে তদন্তের স্বার্থে ডাকা হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তরা সংস্থাটির সামনে হাজির হননি।

এদিকে, একই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্য যাচাই শেষে আদালতের মাধ্যমে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।