এক গ্লাস কমলার জুসে শুরু হোক দিন: স্বাস্থ্য উপকারিতা ও সহজ রেসিপি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত হয়েছে

যারা টানা ৬০ দিন প্রতিদিন ১৭ আউন্স বা দুই কাপ করে খাঁটি কমলার জুস পান করেছেন, তাদের শরীরের জিন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। দুই মাস পর রক্ত পরীক্ষায় ১ হাজার ৭০৫টি জিনের কার্যকলাপে পরিবর্তন দেখা যায়। যার মধ্যে ১ হাজার ৬৭৩টি জিনের সক্রিয়তা কমেছে এবং ৩২টির বেড়েছে। বিশেষ করে, প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন সৃষ্টিকারী জিনের কার্যকারিতা এবং উচ্চ রক্তচাপের সাথে জড়িত জিনের কার্যক্রমে ইতিবাচক পতন ঘটেছে। এছাড়া অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ব্যক্তিদের চর্বি প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষমতা উন্নত হতে দেখা গেছে।

নিয়মিত কমলার জুস পান করলে খারাপ কোলেস্টেরল এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমে। যা হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। প্রতিদিন কমলার জুস পানের ফলে রক্তনালীর ভেতরের আস্তরণের কার্যক্ষমতা বাড়ে। ফলে রক্তনালী সহজে শিথিল ও প্রসারিত হতে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

কমলার জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়াম ও ফোলেটের মতো খনিজ উপাদান। এতে ক্যালোরি কম থাকে এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হওয়ায় ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও হৃদরোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া এটি কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এবং মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে বাজারের অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস বা জুস ব্লেন্ড উপকারের চেয়ে ক্ষতি করতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে শতভাগ খাঁটি ও প্রিজারভেটিভমুক্ত জুস বেছে নেওয়া উচিত।

ওজন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে এমন ডায়েটের শেষ নেই। তবে সত্যি বলতে, প্রতিদিনের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ কড়া নজরদারিতে না রাখলে আপনি যে ক্যালোরি খাচ্ছেন এবং যা পোড়াতেন, তার হিসাব গুলিয়ে ফেলতে পারেন। কমলার জুসে ক্যালোরি কম থাকে এবং এটি যে স্থূলতা বাড়ায় না—তা প্রমাণিত। তাই ওজন কমানোর ডায়েটে এটি অন্তর্ভুক্ত করা দারুণ ব্যাপার। কম ক্যালোরিযুক্ত ডায়েটের পাশাপাশি এই জুস পান করলে ওজন হ্রাসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তাই ডায়েটে এটি রাখার পাশাপাশি আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকেও নজর রাখুন।

কমলার জুসে ক্যারোটিনয়েড থাকে। এটি ভিটামিন ‘এ’-এর কার্যকারিতায় অবদান রাখে। তাই এটি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে এবং চোখের কোষগুলোকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। ত্বকে থাকা ক্যারোটিনয়েড নির্দেশ করে যে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আর নিয়মিত তাজা জুস পান করলে এই ক্যারোটিনয়েডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এগুলো আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতি এবং পরিবেশগত নানা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তবে এর মানে এই নয় যে কমলার জুস আপনার সানস্ক্রিনের বিকল্প হতে পারে! এই দুটির যেকোনো একটির বদলে উভয়টি একসঙ্গে ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

কমলা ও আনারসের এই মিশ্র জুস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করতে দারুণ কার্যকরী। আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন এনজাইম হজমে সাহায্য করে এবং কমলা রক্তের ইউরিক এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এই জ্যুস তৈরির জন্য প্রথমে তাজা কমলা ও পাইনএপেল ধুয়ে টুকরো করে নিন। পাইনএপেল জুসারে দিয়ে রস বের করুন। এবার কমলা চিপে বা ব্লেন্ড করে রস আলাদা করে নিন। একটি বড় জারে দুটি জুস একসঙ্গে মিশিয়ে সামান্য চিনি বা স্বাদমতো মিষ্টি দিন। ভালোভাবে নেড়ে বরফ কুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

গাজর ও কমলার এই মিশ্র জুস ভিটামিন 'সি' এবং বিটা-ক্যারোটিনে ভরপুর। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন 'এ'-তে রূপান্তরিত হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়া এটি কম ক্যালোরিযুক্ত (প্রতি সার্ভিংয়ে মাত্র ৯৩ ক্যালোরি) হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কার্যকরী। এই জ্যুস তৈরির জন্য প্রথমে গাজর ও কমলা ধুয়ে টুকরো করে জুসারে বা ব্লেন্ডারে রস বের করে নিন। মিষ্টি বাড়াতে চাইলে সামান্য মধু (ঐচ্ছিক) মিশিয়ে নিতে পারেন। বরফ কুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। অতিরিক্ত জুস আইস ট্রেতে জমিয়ে এক মাস পর্যন্ত সংরক্ষণও করা যায়।

জেনে নিন হ্যালোইনের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার পাইয়ের রেসিপি

জেনে নিন হ্যালোইনের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার পাইয়ের রেসিপি

অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখে পশ্চিমা দেশগুলোয় পালিত হয় হ্যালোইন। হ্যালোইন হলো পূর্বপুরুষদের আত্মার মুক্তির জন্য প্রার্থনার দিন। এই দিনে কুমড়া দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পদ তৈরি করে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। খাওয়া হয় কুমড়ার পাই। আর ক-দিন বাদেই হ্যালোইন; কুমড়ার পাইয়ের রেসিপিটি জানা থাকলে তৈরি করতে পারবেন আপনিও।

রঙিন সবজি দিয়ে লাবড়া

রঙিন সবজি দিয়ে লাবড়া

লাবড়া খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। এখন বাজারে নানা ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো দিয়ে সহজেই লাবড়া তৈরি করে নিতে পারেন। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।

রাতের খাবারে তৈরি করুন হাঁসভুনা

রাতের খাবারে তৈরি করুন হাঁসভুনা

হালকা ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। অনেকেই এ সময়টায় হাঁসভুনা খেতে ভালোবাসেন। রাতের ভোজে রুটি, পরোটা বা গরম ভাতের সঙ্গে হাঁসভুনা খেতে চাইলে এই রেসিপিটি একবার দেখে নিতে পারেন। হাঁসভুনার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।

জনপ্রিয় টার্গেট

এক গ্লাস কমলার জুসে শুরু হোক দিন: স্বাস্থ্য উপকারিতা ও সহজ রেসিপি

প্রকাশ: ০৯:০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

যারা টানা ৬০ দিন প্রতিদিন ১৭ আউন্স বা দুই কাপ করে খাঁটি কমলার জুস পান করেছেন, তাদের শরীরের জিন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। দুই মাস পর রক্ত পরীক্ষায় ১ হাজার ৭০৫টি জিনের কার্যকলাপে পরিবর্তন দেখা যায়। যার মধ্যে ১ হাজার ৬৭৩টি জিনের সক্রিয়তা কমেছে এবং ৩২টির বেড়েছে। বিশেষ করে, প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন সৃষ্টিকারী জিনের কার্যকারিতা এবং উচ্চ রক্তচাপের সাথে জড়িত জিনের কার্যক্রমে ইতিবাচক পতন ঘটেছে। এছাড়া অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ব্যক্তিদের চর্বি প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষমতা উন্নত হতে দেখা গেছে।

নিয়মিত কমলার জুস পান করলে খারাপ কোলেস্টেরল এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমে। যা হৃদরোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। প্রতিদিন কমলার জুস পানের ফলে রক্তনালীর ভেতরের আস্তরণের কার্যক্ষমতা বাড়ে। ফলে রক্তনালী সহজে শিথিল ও প্রসারিত হতে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

কমলার জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়াম ও ফোলেটের মতো খনিজ উপাদান। এতে ক্যালোরি কম থাকে এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হওয়ায় ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও হৃদরোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া এটি কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এবং মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে বাজারের অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস বা জুস ব্লেন্ড উপকারের চেয়ে ক্ষতি করতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে শতভাগ খাঁটি ও প্রিজারভেটিভমুক্ত জুস বেছে নেওয়া উচিত।

ওজন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে এমন ডায়েটের শেষ নেই। তবে সত্যি বলতে, প্রতিদিনের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ কড়া নজরদারিতে না রাখলে আপনি যে ক্যালোরি খাচ্ছেন এবং যা পোড়াতেন, তার হিসাব গুলিয়ে ফেলতে পারেন। কমলার জুসে ক্যালোরি কম থাকে এবং এটি যে স্থূলতা বাড়ায় না—তা প্রমাণিত। তাই ওজন কমানোর ডায়েটে এটি অন্তর্ভুক্ত করা দারুণ ব্যাপার। কম ক্যালোরিযুক্ত ডায়েটের পাশাপাশি এই জুস পান করলে ওজন হ্রাসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তাই ডায়েটে এটি রাখার পাশাপাশি আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকেও নজর রাখুন।

কমলার জুসে ক্যারোটিনয়েড থাকে। এটি ভিটামিন ‘এ’-এর কার্যকারিতায় অবদান রাখে। তাই এটি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে এবং চোখের কোষগুলোকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। ত্বকে থাকা ক্যারোটিনয়েড নির্দেশ করে যে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আর নিয়মিত তাজা জুস পান করলে এই ক্যারোটিনয়েডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এগুলো আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতি এবং পরিবেশগত নানা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তবে এর মানে এই নয় যে কমলার জুস আপনার সানস্ক্রিনের বিকল্প হতে পারে! এই দুটির যেকোনো একটির বদলে উভয়টি একসঙ্গে ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

কমলা ও আনারসের এই মিশ্র জুস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করতে দারুণ কার্যকরী। আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন এনজাইম হজমে সাহায্য করে এবং কমলা রক্তের ইউরিক এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এই জ্যুস তৈরির জন্য প্রথমে তাজা কমলা ও পাইনএপেল ধুয়ে টুকরো করে নিন। পাইনএপেল জুসারে দিয়ে রস বের করুন। এবার কমলা চিপে বা ব্লেন্ড করে রস আলাদা করে নিন। একটি বড় জারে দুটি জুস একসঙ্গে মিশিয়ে সামান্য চিনি বা স্বাদমতো মিষ্টি দিন। ভালোভাবে নেড়ে বরফ কুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

গাজর ও কমলার এই মিশ্র জুস ভিটামিন 'সি' এবং বিটা-ক্যারোটিনে ভরপুর। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন 'এ'-তে রূপান্তরিত হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়া এটি কম ক্যালোরিযুক্ত (প্রতি সার্ভিংয়ে মাত্র ৯৩ ক্যালোরি) হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কার্যকরী। এই জ্যুস তৈরির জন্য প্রথমে গাজর ও কমলা ধুয়ে টুকরো করে জুসারে বা ব্লেন্ডারে রস বের করে নিন। মিষ্টি বাড়াতে চাইলে সামান্য মধু (ঐচ্ছিক) মিশিয়ে নিতে পারেন। বরফ কুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। অতিরিক্ত জুস আইস ট্রেতে জমিয়ে এক মাস পর্যন্ত সংরক্ষণও করা যায়।

জেনে নিন হ্যালোইনের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার পাইয়ের রেসিপি

জেনে নিন হ্যালোইনের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার পাইয়ের রেসিপি

অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখে পশ্চিমা দেশগুলোয় পালিত হয় হ্যালোইন। হ্যালোইন হলো পূর্বপুরুষদের আত্মার মুক্তির জন্য প্রার্থনার দিন। এই দিনে কুমড়া দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পদ তৈরি করে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। খাওয়া হয় কুমড়ার পাই। আর ক-দিন বাদেই হ্যালোইন; কুমড়ার পাইয়ের রেসিপিটি জানা থাকলে তৈরি করতে পারবেন আপনিও।

রঙিন সবজি দিয়ে লাবড়া

রঙিন সবজি দিয়ে লাবড়া

লাবড়া খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। এখন বাজারে নানা ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো দিয়ে সহজেই লাবড়া তৈরি করে নিতে পারেন। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।

রাতের খাবারে তৈরি করুন হাঁসভুনা

রাতের খাবারে তৈরি করুন হাঁসভুনা

হালকা ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে। অনেকেই এ সময়টায় হাঁসভুনা খেতে ভালোবাসেন। রাতের ভোজে রুটি, পরোটা বা গরম ভাতের সঙ্গে হাঁসভুনা খেতে চাইলে এই রেসিপিটি একবার দেখে নিতে পারেন। হাঁসভুনার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।