কাব্যগ্রন্থটি নাটকে রূপান্তর করে নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা। তিনি বলেন, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট পূর্বে অনেক দলই মঞ্চে এনেছে। প্রথম করেছিল পদাতিক নাট্য সংসদ। আমি তখন পদাতিকের সদস্য। তখন থেকেই সোজন বাদিয়া ঘাট নাটকের সঙ্গে যুক্ত। এত দিন পর নবরসের ব্যানার থেকে এটি মঞ্চে আনার কারণ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপট। বর্তমানে ধর্মীয় দ্বন্দ্ব, জটিলতা ও কুসংস্কার মানুষের মধ্যে প্রকট হয়ে উঠেছে। কিন্তু মানুষের প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কর্মে। এই বিষয়গুলো মাথায় ঘুরছিল। ওই জায়গা থেকে সোজন বাদিয়ার ঘাট এখন অনেক প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। এখানে প্রেমের মধ্য দিয়ে ধর্মের বিষয়ে অনেক কিছু বলা আছে। তাই পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থটি আবার মঞ্চে আনার পরিকল্পনা করা হলো।’
সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা আরও জানান, কবিতা থেকে নাট্যরূপে রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল বিষয়বস্তু ঠিক রেখে কিছুটা পরিমার্জন করা হয়েছে। গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনটি গান সংযোজন করা হয়েছে নাটকটিতে। তিনটি গানই লিখেছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা।
সোজন বাদিয়ার ঘাট নাটকে সোজন চরিত্রে অভিনয় করবেন ইউসুফ রাসেল অথবা শাহীন আলম জীবন; দুলীর চরিত্রে শামছি আরা সায়েকা অথবা নীলিমা রাশেদ। সোজনের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করবে কাশফি আলফি আহমেদ এবং দুলীর ছোটবেলার চরিত্রে আফিয়া জামান সৃজা।

দৈনিক টার্গেট 



























