কভার লেটার কেবল নিয়ম রক্ষার চিঠি নয়। এখানে আপনি নিজের কথা বলবেন, নিজের ভাষায়। কঠিন শব্দ আর ভারী ভারী কথা বাদ দিন। সহজ ও স্পষ্ট বাক্যই সবচেয়ে সুন্দর। লেখার সহায়ক সরঞ্জাম থেকে সাহায্য নিতে পারেন। তবে চিঠিতে যেন আপনার নিজের গলার সুরই থাকে।
সম্ভব হলে নিয়োগকর্তার নাম জেনে নিন। নাম না জানলে আন্দাজে কিছু লিখবেন না। ‘নিয়োগ ব্যবস্থাপক’ লেখাই যথেষ্ট। ভাষা থাকবে ভদ্র ও মার্জিত।
সিভির সব কথা আবার লেখার দরকার নেই। বেছে নিন সবচেয়ে দরকারি অভিজ্ঞতা ও অর্জন। বাড়তি বাক্য ছেঁটে ফেলুন। একই কথা দুবার বলবেন না।
সব জায়গায় একই চিঠি পাঠাবেন না। প্রতিটি পদ আলাদা, প্রতিষ্ঠানও আলাদা। পদের নাম ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকঠাক বসান। বিজ্ঞপ্তিতে যা চাওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে নিজের দক্ষতা মিলিয়ে দেখান। নমুনা দেখে ধারণা নিতে পারেন, কিন্তু হুবহু নকল করবেন না। যে অভিজ্ঞতা আপনার নেই, তা কখনোই লিখবেন না।
বানান, ব্যাকরণ আর প্রতিষ্ঠানের নাম মিলিয়ে দেখুন। ছোট ভুলও বড় ছাপ ফেলে। একবার মন দিয়ে পড়ে শুধরে নিন। চাইলে বন্ধু বা বড় কাউকে দিয়ে পড়িয়ে নিন। সিভির তথ্যের সঙ্গে চিঠির তথ্য মিলছে কি না, তা-ও দেখে নেবেন।
শেষ অনুচ্ছেদে সাক্ষাৎকারের আগ্রহ জানান। যেমন, ‘সুযোগ পেলে
আমার অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারলে আনন্দিত হব।’ কথায় থাকবে আত্মবিশ্বাস,
চাপ নয়। সিভি জুড়ে দিতে ভুলবেন না। ই-মেইলে আবেদন করলে সাবজেক্ট লাইন স্পষ্ট রাখুন। ফাইলের নামও ঠিকঠাক লিখুন।
কভার লেটার চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না। তবে সুযোগ বাড়ায়। চিঠিতে থাকুক সততা, সরলতা আর নিজের যোগ্যতার
সুন্দর উপস্থাপন। এতেই নিয়োগকর্তার মনে আপনার জন্য জায়গা তৈরি হবে।

দৈনিক টার্গেট 



























