পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় লোকজন নদীর তীরে হলুদ রঙের একটি বস্তার ভেতরে মরদেহ দেখতে পান। পরে তাঁরা থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি খুলে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় যুবকের দুই হাত টেপ দিয়ে এবং দুই পা কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন অংশ পচে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, তিন থেকে চার দিন আগে দুর্বৃত্তরা ওই যুবককে হত্যা করে মরদেহটি নদীর তীরে ফেলে রেখে গেছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী অবস্থায় পচাগলা মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। উদ্ধারের সময় তাঁর হাত-পা বাঁধা ছিল। অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি এখানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
ওসি আরও জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 

























