নিহত রিপন ভোলাব ইউনিয়নের শহীদুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে একটি ওয়াজ-মাহফিলের অতিথি তালিকায় নাম থাকাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরে গত রাতে মারামারির ঘটনা ঘটে। সেখানেই খুন হন রিপন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, ওয়াজ-মাহফিলে অতিথি তালিকায় নাম দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের ধরে রিপন মিয়াকে ধাওয়া দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। একপর্যায়ে তাঁকে আটক করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রিপনের মেয়ে শিলা জানান, পাইসকা গ্রামের রিফাত কাজী, সারোয়ার, তানভীর কাজীসহ কয়েকজন তাঁর বাবাকে হত্যা করেছেন। তাঁদের সঙ্গে আগে থেকে বিরোধ ছিল।
রিপনের ছেলে শাওন বলেন, ‘৬ ও ৭ অক্টোবর একটি ওয়াজ-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের ব্যানারে আমার বাবা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির নাম ছিল। সেখানে রিফাত কাজী ও তাঁর সমর্থকদের নাম কমিটিতে না থাকায় তাঁরা বাবার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই বিরোধ থেকে বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।’
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন বলেন, ‘মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আমরা কাজ করছি।’

দৈনিক টার্গেট 






















