আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন সকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল পুণ্ডরীক ধামে মারা যান চিন্ময় কৃষ্ণের মা শ্রীমতী সন্ধ্যা রানী ধর (৭১)। এরপর মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে চিন্ময় কৃষ্ণকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করে তাঁর পরিবার।
ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের সহসভাপতি স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাশ ব্রহ্মচারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, সন্ধ্যা রানী আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পুণ্ডরীক ধামেই তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় দাসের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।
এর আগে গতকাল বুধবার মৃত্যুশয্যায় থাকা মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তবে এতে সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও জানান স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাশ ব্রহ্মচারী।
এই বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক জানান, অসুস্থ অবস্থায় কাউকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আইনি কোনো সুযোগ নেই। কেবল স্বজন মারা গেলে এ সুযোগ পাওয়া যায়। তাই ওই আবেদন গ্রহণ করার সুযোগ ছিল না।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারি সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ জানান, আইন অনুযায়ী সবকিছু করতে পুলিশ প্রস্তুত। এতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কা নেই।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা সন্ধ্যা রানী ক্যানসারসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে পুণ্ডরীক ধামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট।
মাগুরা শহরের সড়ক ও জনপথ (সওজ) কার্যালয়ের সামনে পানির ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাশারুল ইসলাম (৪৫) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। তিনি মাগুরা বাস টার্মিনালে এসডি পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার ছিলেন।
রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এপেক্সের গোডাউনে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট। বৈদ্যুতিক ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেলে প্রথম ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন গোডাউনের কর্মীরা। আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। ক্ষয়ক্ষতি হলেও তা খুব বেশি নয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছরের বেশি সময় আগে পণ্য পরিবহনের জন্য সিলেট-আখাউড়া রেলপথ স্থাপন করা হয়। সেই থেকে শত বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো রেলপথে লাগেনি কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া। ব্রিটিশরা যেভাবে রেলপথ তৈরি করে ছিল ঠিক একই পথে এখনো ধুঁকে ধুঁকে চলছে ট্রেন।
দৈনিক টার্গেট 

























