বর্জ্যের সঙ্গে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসাসামগ্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল মমেক হাসপাতাল। প্রতিদিন হাজারো রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় তাঁদের। রোগীদের সেবাপ্রাপ্তি নিয়ে যখন এমন অভিযোগ উঠছে, তখন হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৩৫ থেকে ৪০ ভ্যানগাড়ি বর্জ্য সরানো হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্জ্য সংরক্ষণাগারে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এগুলোর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর রয়েছে। ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিকদের দাবি, এসব সামগ্রী আবার হাসপাতালে ফেরত দেওয়া হবে।

ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন বলেন, ‘বর্জ্য সংগ্রহ এবং যাচাই-বাছাই কাজে আমরা ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছি। চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে। আর বাকি সাতজন বর্জ্য সংরক্ষণাগারে এগুলো বাছাই করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্যের সঙ্গে প্রতিদিন নতুন নতুন সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইন চলে আসে। এগুলো আমরা আলাদা বস্তায় রেখে দিই। ১০ থেকে ১২ দিন পর তিন থেকে চার বস্তা জমলে এগুলো হাসপাতালে ফেরত দিই। বাকিগুলো পাইকারি দরে বিক্রি করে দেওয়া হয়।’

হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে গেল তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ। তাঁর মতে, এসব সামগ্রী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার বাইরে যাওয়ার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের দায় ও তদারকির বিষয়টি তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাঁদের।

‘বিয়ের জন্য’ ঋণ না পেয়ে ব্যাংকই লুটের পরিকল্পনা

‘বিয়ের জন্য’ ঋণ না পেয়ে ব্যাংকই লুটের পরিকল্পনা

বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি কাউসার আহমেদ ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিতে যান। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণ না দেওয়ায় ব্যাংক লুটের পরিকল্পনা করেন তিনি। রাতে নিরাপত্তাকর্মীকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে ভল্ট ভাঙার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে আটক হন তিনি।

বর্জ্য সংরক্ষণাগারে মিলছে ময়মনসিংহ মেডিকেলের চিকিৎসাসামগ্রী, সমালোচনা

বর্জ্য সংরক্ষণাগারে মিলছে ময়মনসিংহ মেডিকেলের চিকিৎসাসামগ্রী, সমালোচনা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে নগরের শম্ভুগঞ্জের একটি বর্জ্য সংরক্ষণাগারে। ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকলেও হাসপাতালের চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্যের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নাদিয়া বেগম (১৯) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের হাতিখলা গ্রামে স্বামী কাওছার মিয়ার (২৩) বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে কাওছার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পলাতক।

জনপ্রিয় টার্গেট

বর্জ্যের সঙ্গে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসাসামগ্রী

প্রকাশ: ০৬:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল মমেক হাসপাতাল। প্রতিদিন হাজারো রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় তাঁদের। রোগীদের সেবাপ্রাপ্তি নিয়ে যখন এমন অভিযোগ উঠছে, তখন হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৩৫ থেকে ৪০ ভ্যানগাড়ি বর্জ্য সরানো হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্জ্য সংরক্ষণাগারে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এগুলোর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর রয়েছে। ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিকদের দাবি, এসব সামগ্রী আবার হাসপাতালে ফেরত দেওয়া হবে।

ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন বলেন, ‘বর্জ্য সংগ্রহ এবং যাচাই-বাছাই কাজে আমরা ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছি। চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে। আর বাকি সাতজন বর্জ্য সংরক্ষণাগারে এগুলো বাছাই করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্যের সঙ্গে প্রতিদিন নতুন নতুন সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইন চলে আসে। এগুলো আমরা আলাদা বস্তায় রেখে দিই। ১০ থেকে ১২ দিন পর তিন থেকে চার বস্তা জমলে এগুলো হাসপাতালে ফেরত দিই। বাকিগুলো পাইকারি দরে বিক্রি করে দেওয়া হয়।’

হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে গেল তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ। তাঁর মতে, এসব সামগ্রী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার বাইরে যাওয়ার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের দায় ও তদারকির বিষয়টি তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাঁদের।

‘বিয়ের জন্য’ ঋণ না পেয়ে ব্যাংকই লুটের পরিকল্পনা

‘বিয়ের জন্য’ ঋণ না পেয়ে ব্যাংকই লুটের পরিকল্পনা

বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি কাউসার আহমেদ ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিতে যান। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণ না দেওয়ায় ব্যাংক লুটের পরিকল্পনা করেন তিনি। রাতে নিরাপত্তাকর্মীকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে ভল্ট ভাঙার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে আটক হন তিনি।

বর্জ্য সংরক্ষণাগারে মিলছে ময়মনসিংহ মেডিকেলের চিকিৎসাসামগ্রী, সমালোচনা

বর্জ্য সংরক্ষণাগারে মিলছে ময়মনসিংহ মেডিকেলের চিকিৎসাসামগ্রী, সমালোচনা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে নগরের শম্ভুগঞ্জের একটি বর্জ্য সংরক্ষণাগারে। ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকলেও হাসপাতালের চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্যের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নাদিয়া বেগম (১৯) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের হাতিখলা গ্রামে স্বামী কাওছার মিয়ার (২৩) বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে কাওছার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পলাতক।