এর আগে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর মরদেহ আনা হলে জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন মানিক পশারীর স্বজনেরা। পরে পুলিশের সহায়তায় লাশ সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় লাশ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ।
পরে রাত ১২টার দিকে সদর থানা পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় লাশ বাড়িতে পৌঁছান। রাত ১টার দিকে দাফনকাজ শেষ হয়। এ সময় মানিক পশারীর স্ত্রী সন্তানসহ স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরে তিনি যশোরে ও গোপালগঞ্জে পলাতক ছিলেন। ২ মাস ধরে অসুস্থ থেকে গতকাল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দৈনিক টার্গেট 

























