উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাঁচবিবি উপজেলার গলাকাটা থেকে আংড়া পর্যন্ত সড়কের এক কিলোমিটার কার্পেটিংয়ের কাজ পায় লিনা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৮৫ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর কার্যাদেশ পাওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে এবং ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যথাসময়ে তা শেষ হয়।
দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, দুই সপ্তাহ আগে ঠিকাদার সড়কটির কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করেছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ পর পায়ের ধাক্কায় পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের আগে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং বালুর পরিবর্তে মাটি ও রাবিশ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা। তখন ভালোভাবে কাজ করার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা করা হয়নি।
আরেক বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়কটির কাজের মান নিয়ে স্থানীয়রা অসন্তুষ্ট। দ্রুত তদন্ত করে পুনরায় ভালোভাবে কার্পেটিং করার দাবি জানান তিনি।
পাঁচবিবি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ফেরদৌস রাইট বলেন, সড়কের নিম্নমানের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ঠিকাদারের লোকজনের বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। খবর পেয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তাঁর ভাষ্য, সড়কটির পাকাকরণ কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
আটাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) আ স ম আরেফিন চৌধুরী (আবু) বলেন, গলাকাটা থেকে আংড়া পর্যন্ত সড়কের কার্পেটিং কাজের মান নিয়ে স্থানীয়রা আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের প্রতিনিধি মাহাবুব ইলাহী বলেন, গ্রামবাসীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, কার্পেটিংয়ের পর বিটুমিন জমাট বাঁধতে সময় লাগে। সেই সময় পার হলে পিচ সহজে ওঠানো সম্ভব হবে না।

দৈনিক টার্গেট 






















