চলন্ত মাহিন্দ্রা থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারল না কিশোর হেলপার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত হয়েছে

নিহত নূর আলম আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া খলাপাড়া এলাকার আজগর আলী সিকদারের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে নূর আলম ছিল দ্বিতীয়। অসুস্থ বাবার সংসারের হাল ধরতে সে ইট বহনকারী মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরে হেলপার হিসেবে কাজ করত।

আজ সকালে চালক কাইয়ুম মিয়ার সঙ্গে কাজে বের হয় নূর আলম। বিকেলে খলাপাড়া এলাকায় গ্রাহকদের বাড়িতে ইট পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে পাকা সড়ক থেকে কাঁচা রাস্তায় নামার সময় ট্রাক্টরটি উল্টে যায়।

ট্রাক্টর উল্টে যাওয়ার সময় নূর আলম লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টে যাওয়া ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে সে গুরুতর আহত হয়। চালক ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত নূর আলমের বাবা আজগর আলী সিকদার বলেন, ‘আমি অসুস্থ থাকায় কাজ করতে পারি না। ছেলেটা শ্রমিকের কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছিল। পুরো পরিবার ছেলের আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কাঁচা রাস্তায় গাড়ি উল্টে নিচে চাপা পড়ে সে মারা গেল।’

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক উম্মে হাবীবা জুঁই বলেন, বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন নূর আলম নামের এক কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির নিচে চাপা পড়েই তার মৃত্যু হয়েছে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

ভৈরব থানার উপপরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনা নগরীতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ছুরিকাঘাতে সোহান (১৭) নামে এক যুবক আহত হয়েছে। আজ রোববার খুলনা দৌলতপুর থানার চুনুর বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক ওই এলাকার রবিউল মোড়লের ছেলে।

তসলিম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং লাঠিতে ভর দিয়ে চলাফেরা করতেন। গত ৮ অক্টোবর তিনি বাড়িতেই ছিলেন। তবে পরদিন সকাল থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর আজ রোববার বিকেলে বাড়ির উত্তর পাশের ডোবায় তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় আগাছানাশক পান করার পর শফিকুল ইসলাম (৬১) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহের কথা জানানো হয়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

চলন্ত মাহিন্দ্রা থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারল না কিশোর হেলপার

প্রকাশ: ১২:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

নিহত নূর আলম আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া খলাপাড়া এলাকার আজগর আলী সিকদারের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে নূর আলম ছিল দ্বিতীয়। অসুস্থ বাবার সংসারের হাল ধরতে সে ইট বহনকারী মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরে হেলপার হিসেবে কাজ করত।

আজ সকালে চালক কাইয়ুম মিয়ার সঙ্গে কাজে বের হয় নূর আলম। বিকেলে খলাপাড়া এলাকায় গ্রাহকদের বাড়িতে ইট পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে পাকা সড়ক থেকে কাঁচা রাস্তায় নামার সময় ট্রাক্টরটি উল্টে যায়।

ট্রাক্টর উল্টে যাওয়ার সময় নূর আলম লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টে যাওয়া ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে সে গুরুতর আহত হয়। চালক ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত নূর আলমের বাবা আজগর আলী সিকদার বলেন, ‘আমি অসুস্থ থাকায় কাজ করতে পারি না। ছেলেটা শ্রমিকের কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছিল। পুরো পরিবার ছেলের আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কাঁচা রাস্তায় গাড়ি উল্টে নিচে চাপা পড়ে সে মারা গেল।’

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক উম্মে হাবীবা জুঁই বলেন, বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন নূর আলম নামের এক কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির নিচে চাপা পড়েই তার মৃত্যু হয়েছে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

ভৈরব থানার উপপরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনা নগরীতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ছুরিকাঘাতে সোহান (১৭) নামে এক যুবক আহত হয়েছে। আজ রোববার খুলনা দৌলতপুর থানার চুনুর বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক ওই এলাকার রবিউল মোড়লের ছেলে।

তসলিম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং লাঠিতে ভর দিয়ে চলাফেরা করতেন। গত ৮ অক্টোবর তিনি বাড়িতেই ছিলেন। তবে পরদিন সকাল থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর আজ রোববার বিকেলে বাড়ির উত্তর পাশের ডোবায় তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় আগাছানাশক পান করার পর শফিকুল ইসলাম (৬১) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহের কথা জানানো হয়নি।