অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকিং খাতে নানা অনিশ্চয়তা, আমানতের সুদহার এবং সঞ্চয়পত্রের তুলনামূলক আকর্ষণীয় মুনাফার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সঞ্চয়পত্রের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বাজারে বিনিয়োগের বিকল্প সীমিত থাকাও সঞ্চয়পত্রের চাহিদা বাড়ার কারণ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়ের সুযোগ কমলেও মানুষ যে সামান্য অর্থ জমাতে পারছেন, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অধিকাংশ গ্রাহক সরকারি এই বিনিয়োগমাধ্যমে ঝুঁকছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসভিত্তিক হিসাবেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই মাসে এ পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। ফলে জুলাইয়ে নিট বিক্রি বেড়েছে ৭৬৬ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ। তবে আগস্টে জুলাই মাসের তুলনায় বিক্রি কিছুটা কমেছে। ওই মাসে নিট বিক্রি হয়েছে ৪০৩ কোটি টাকা। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় তা বেড়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৭৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগস্টে নিট বিক্রি বেড়েছে ১২৫ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৫ শতাংশ।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রির পরিমাণ আগস্টের তুলনায় অনেক বেশি। জুলাইয়ের ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা এবং আগস্টের ৪০৩ কোটি টাকা মিলে মোট নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রথম দুই মাসের নিট বিনিয়োগের প্রায় পুরোটা এসেছে জুলাইয়ে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাত এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়ে ওঠেনি। ফলে আমানতকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও আস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে। এমন বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতির চাপ সামলে যার যতটুকু সঞ্চয় থাকছে, তা নিরাপদ রাখতে অনেকেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছেন। তাঁর ভাষায়, সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর ঝুঁকি নেই, প্রয়োজন হলে সহজেই নগদায়ন করা যায়, আবার মুনাফার হারও তুলনামূলক ভালো। সব মিলিয়ে মানুষের আগ্রহ আবার বাড়তে শুরু করেছে।
টানা দুই মাস কমার পর আবারও বাড়ল মূল্যস্ফীতি। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ হয়েছে। আগস্ট ও জুলাইতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি বাড়লে প্রকৃত আয় কমে জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যায়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগ বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) করোত্তর ক্ষতি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি)…
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের ব্যাংক খাতে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর ব্যয়ের প্রায় সব প্রধান খাতেই বড় ধরনের পতন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রশমন-অভিযোজন খাতে, ৫৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের তফসিলি ব্যাংক…
দৈনিক টার্গেট 





















