অন্ধকার জীবন থেকে মানবাধিকারের লড়াইয়ে ফরিদা পারভীন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৪৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত হয়েছে

২০০১ সালে ‘পায়াক্ট বাংলাদেশ’ নামের একটি সামাজিক সংগঠনে পিয়ার এডুকেটর হিসেবে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে ফরিদার জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করে। যৌনপল্লির নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর মতো আরও কতশত নারী প্রতিদিন নিঃশব্দে পোহাচ্ছেন অকথ্য যন্ত্রণা। সেই তাগিদ থেকেই অন্য ১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন ‘অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা’। বর্তমানে এই সংগঠনের সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করে তিনি দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অবহেলিত নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

অর্ধশত নারীর সংসার ও মানবাধিকারের লড়াই

ফরিদার এই লড়াই কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর দূরদর্শী পরামর্শ ও সাহচর্যে দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অন্ধকার ছেড়ে নতুন জীবন শুরু করেছেন প্রায় অর্ধশত নারী। তাঁদের কেউ বেছে নিয়েছেন স্বাভাবিক সংসারজীবন, কেউ আবার যুক্ত হয়েছেন মানবাধিকার ও সেবামূলক কাজে। জেলী আক্তার কিংবা দেবীর মতো নারীরা আজ সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আত্মবিশ্বাসী জীবন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে ফরিদার গড়া এই সংগঠনের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে বিভিন্ন এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থায় কাজ করছেন প্রায় ৩০ জন নারী-পুরুষ, যা অবহেলিত মানুষের জীবনে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ

দৌলতদিয়ার নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো, সচেতনতা তৈরি এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বিগ্ন ফরিদা। শিশুদের জন্মপরিচয় বা পারিবারিক বাস্তবতার কারণে তারা যেন কোনোভাবেই শিক্ষা ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লড়াইও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রান্তিক এই নারীদের অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবার দাবি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে তিনি ইতিমধ্যে চারটি দেশে ১০ বার বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশ নিয়েছেন। ফরিদার এই পথচলা তাই আজ কেবল একটি স্থানীয় উদ্যোগ নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে অবহেলিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক দীপ্ত প্রতীক।

অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান ও অবস্থান

অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান ও অবস্থান

বিশ্ব অর্থনীতিতে বৃহৎ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো শিরোনামে জায়গা করে নেয় বরাবরই। তবে দেশগুলোর অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখে মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা বা এসএমই খাত। বিশ্বব্যাংকের মতে, বিশ্বব্যাপী মোট ব্যবসার প্রায় ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রকৃতির। এগুলো মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেকেরও বেশি জোগায়।

শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

স্কুলে একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা। কিংবা ইতালির রোদে পোড়া কোনো ভিলার বারান্দায় আইসক্রিম হাতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য। কনল আর মারিয়ানের এই রসায়ন মানুষ কখনো দেখেছেন পর্দায় আবার কখনো পড়েছেন বইয়ের পাতায়। স্যালি রুনির উপন্যাসের পাতায় ও পর্দায় ফুটে ওঠা এই মুহূর্তগুলো যেন তরুণ প্রজন্মের…

জনপ্রিয় টার্গেট

অন্ধকার জীবন থেকে মানবাধিকারের লড়াইয়ে ফরিদা পারভীন

প্রকাশ: ০৬:৪৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

২০০১ সালে ‘পায়াক্ট বাংলাদেশ’ নামের একটি সামাজিক সংগঠনে পিয়ার এডুকেটর হিসেবে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে ফরিদার জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করে। যৌনপল্লির নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর মতো আরও কতশত নারী প্রতিদিন নিঃশব্দে পোহাচ্ছেন অকথ্য যন্ত্রণা। সেই তাগিদ থেকেই অন্য ১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন ‘অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা’। বর্তমানে এই সংগঠনের সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করে তিনি দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অবহেলিত নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

অর্ধশত নারীর সংসার ও মানবাধিকারের লড়াই

ফরিদার এই লড়াই কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর দূরদর্শী পরামর্শ ও সাহচর্যে দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অন্ধকার ছেড়ে নতুন জীবন শুরু করেছেন প্রায় অর্ধশত নারী। তাঁদের কেউ বেছে নিয়েছেন স্বাভাবিক সংসারজীবন, কেউ আবার যুক্ত হয়েছেন মানবাধিকার ও সেবামূলক কাজে। জেলী আক্তার কিংবা দেবীর মতো নারীরা আজ সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আত্মবিশ্বাসী জীবন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে ফরিদার গড়া এই সংগঠনের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে বিভিন্ন এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থায় কাজ করছেন প্রায় ৩০ জন নারী-পুরুষ, যা অবহেলিত মানুষের জীবনে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ

দৌলতদিয়ার নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো, সচেতনতা তৈরি এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বিগ্ন ফরিদা। শিশুদের জন্মপরিচয় বা পারিবারিক বাস্তবতার কারণে তারা যেন কোনোভাবেই শিক্ষা ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লড়াইও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রান্তিক এই নারীদের অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবার দাবি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে তিনি ইতিমধ্যে চারটি দেশে ১০ বার বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশ নিয়েছেন। ফরিদার এই পথচলা তাই আজ কেবল একটি স্থানীয় উদ্যোগ নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে অবহেলিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক দীপ্ত প্রতীক।

অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান ও অবস্থান

অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান ও অবস্থান

বিশ্ব অর্থনীতিতে বৃহৎ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো শিরোনামে জায়গা করে নেয় বরাবরই। তবে দেশগুলোর অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখে মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা বা এসএমই খাত। বিশ্বব্যাংকের মতে, বিশ্বব্যাপী মোট ব্যবসার প্রায় ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রকৃতির। এগুলো মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেকেরও বেশি জোগায়।

শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

স্কুলে একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা। কিংবা ইতালির রোদে পোড়া কোনো ভিলার বারান্দায় আইসক্রিম হাতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য। কনল আর মারিয়ানের এই রসায়ন মানুষ কখনো দেখেছেন পর্দায় আবার কখনো পড়েছেন বইয়ের পাতায়। স্যালি রুনির উপন্যাসের পাতায় ও পর্দায় ফুটে ওঠা এই মুহূর্তগুলো যেন তরুণ প্রজন্মের…