ভ্রমণে কে কেমন: সবচেয়ে ভদ্র ও ফুডি পর্যটক কারা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত হয়েছে

ভ্রমণে গিয়ে স্থানীয় সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা জানানো এবং অমায়িক আচরণের দিক থেকে শীর্ষ স্থান দখল করেছেন জাপানের পর্যটকেরা। ২১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়ে তাঁরা বিশ্বের সবচেয়ে মার্জিত পর্যটক হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড। এর পরপরই স্থান পেয়েছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। অন্যদিকে, আচরণগত এই তালিকায় মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ মতামত পেয়ে সবচেয়ে পেছনের সারিতে রয়েছেন ইতালির পর্যটকেরা। তবে সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় পর্যটকদের ওয়াইল্ডলাইফ বা বন্য প্রাণী সংরক্ষণে আগ্রহ এবং কৌতূহলী মানসিকতার প্রশংসা করেছেন সাফারি পরিচালকেরা।

বকশিশ বা ‘টিপ’ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকানদের বিশ্বব্যাপী এক বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বকশিশ দেওয়ার সংস্কৃতিতে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন মার্কিন পর্যটকেরা। তাদের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন জার্মানি ও কানাডার পর্যটকেরা। শুধু টিপ দেওয়াই নয়, ভ্রমণের পেছনে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করার ক্ষেত্রেও আমেরিকানরা শীর্ষে। চমকপ্রদ তথ্য হলো, সবচেয়ে বেশি খরচ করা এবং সবচেয়ে বেশি টিপ দেওয়া—দুটি তালিকারই শীর্ষ তিনটি দেশ হুবহু এক: প্রথম যুক্তরাষ্ট্র, এবং যৌথভাবে দ্বিতীয় জার্মানি ও কানাডা (প্রতিটি ১২ দশমিক ৮%)।

ভ্রমণে গিয়ে রিলাক্স না করে রোমাঞ্চ বা শারীরিক কসরত পছন্দ করেন কারা? এই তালিকার শীর্ষ তিনটি স্থানই ইউরোপীয় দেশগুলোর দখলে। ২১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট নিয়ে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী হিসেবে প্রথম হয়েছেন জার্মানির পর্যটকেরা। এরপর রয়েছে ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস। অন্যদিকে, ছুটির দিনে অ্যাডভেঞ্চারে না গিয়ে আরাম-আয়েশ এবং বিশ্রাম নিতে বেশি পছন্দ করেন যুক্তরাজ্য ও ভারতের পর্যটকেরা। আর এই তালিকায় একেবারে শেষে রয়েছেন স্পেনের পর্যটকেরা।

স্থানীয় খাবারের সংস্কৃতির প্রতি সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দেখা যায় এশীয় পর্যটকদের মধ্যে। নতুন দেশের বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ নিতে ‘ফুডি’ হিসেবে সবার ওপরে রয়েছেন ভারতীয় পর্যটকেরা। এই তালিকার দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে জাপান ও চীন। এশীয় দেশগুলোর মধ্যে শুধু ৩ নম্বর স্থানটি দখল করতে পেরেছেন ফরাসি পর্যটকেরা। পর্যটকদের এই বৈচিত্র্যময় আচরণই আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে করে তোলে বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয়। তবে বিশ্বজুড়ে গণ-পর্যটনের এই যুগে স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং বিনয়ী আচরণই একজন পর্যটককে আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলে।

সূত্র: ইউরো নিউজ, দ্য ডেইলি ডাইজেস্ট

কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু মুখে ব্রণ হওয়া সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রণ খোঁটেন, চাপ দিয়ে পুঁজ বের করার চেষ্টা করেন বা নখ দিয়ে ব্রণ ফাটিয়ে ফেলেন।

ত্বক প্রাণবন্ত রাখতে হাইড্রেশন বা আর্দ্রতার কোনো বিকল্প নেই। আর এই হাইড্রেশনের জন্য বাজারের দামি দামি ব্র্যান্ডের ময়শ্চারাইজার বা জেলের ওপর আমরা অনেকটাই নির্ভরশীল। কিন্তু একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, এসব পণ্যে থাকে কৃত্রিম সুগন্ধি, প্যারাবেন এবং নানাবিধ কেমিক্যাল, যা সাময়িক জেল্লা দিলেও দীর্ঘ…

তেল-মসলাযুক্ত ভারী খাবার খাওয়ার পর কোল্ড ড্রিংকস পান না করলে যেন অনেকের চলে না। কোমল পানীয়ের বোতল হাতে নিয়ে অনেকে ভাবেন, ‘এবার পেট হালকা হবে, গ্যাস্ট্রিক কমবে।’ অনেকে আবার মনে করেন, এগুলো খেলে যে ঢেকুর ওঠে, তার সঙ্গেই বুঝি অ্যাসিডিটি হাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে? সফট ড্রিংকস কি সত্যিই

জনপ্রিয় টার্গেট

গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যু, আহত ২

ভ্রমণে কে কেমন: সবচেয়ে ভদ্র ও ফুডি পর্যটক কারা

প্রকাশ: ০৩:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভ্রমণে গিয়ে স্থানীয় সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা জানানো এবং অমায়িক আচরণের দিক থেকে শীর্ষ স্থান দখল করেছেন জাপানের পর্যটকেরা। ২১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়ে তাঁরা বিশ্বের সবচেয়ে মার্জিত পর্যটক হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড। এর পরপরই স্থান পেয়েছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। অন্যদিকে, আচরণগত এই তালিকায় মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ মতামত পেয়ে সবচেয়ে পেছনের সারিতে রয়েছেন ইতালির পর্যটকেরা। তবে সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় পর্যটকদের ওয়াইল্ডলাইফ বা বন্য প্রাণী সংরক্ষণে আগ্রহ এবং কৌতূহলী মানসিকতার প্রশংসা করেছেন সাফারি পরিচালকেরা।

বকশিশ বা ‘টিপ’ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকানদের বিশ্বব্যাপী এক বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বকশিশ দেওয়ার সংস্কৃতিতে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন মার্কিন পর্যটকেরা। তাদের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন জার্মানি ও কানাডার পর্যটকেরা। শুধু টিপ দেওয়াই নয়, ভ্রমণের পেছনে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করার ক্ষেত্রেও আমেরিকানরা শীর্ষে। চমকপ্রদ তথ্য হলো, সবচেয়ে বেশি খরচ করা এবং সবচেয়ে বেশি টিপ দেওয়া—দুটি তালিকারই শীর্ষ তিনটি দেশ হুবহু এক: প্রথম যুক্তরাষ্ট্র, এবং যৌথভাবে দ্বিতীয় জার্মানি ও কানাডা (প্রতিটি ১২ দশমিক ৮%)।

ভ্রমণে গিয়ে রিলাক্স না করে রোমাঞ্চ বা শারীরিক কসরত পছন্দ করেন কারা? এই তালিকার শীর্ষ তিনটি স্থানই ইউরোপীয় দেশগুলোর দখলে। ২১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট নিয়ে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী হিসেবে প্রথম হয়েছেন জার্মানির পর্যটকেরা। এরপর রয়েছে ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস। অন্যদিকে, ছুটির দিনে অ্যাডভেঞ্চারে না গিয়ে আরাম-আয়েশ এবং বিশ্রাম নিতে বেশি পছন্দ করেন যুক্তরাজ্য ও ভারতের পর্যটকেরা। আর এই তালিকায় একেবারে শেষে রয়েছেন স্পেনের পর্যটকেরা।

স্থানীয় খাবারের সংস্কৃতির প্রতি সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দেখা যায় এশীয় পর্যটকদের মধ্যে। নতুন দেশের বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ নিতে ‘ফুডি’ হিসেবে সবার ওপরে রয়েছেন ভারতীয় পর্যটকেরা। এই তালিকার দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে জাপান ও চীন। এশীয় দেশগুলোর মধ্যে শুধু ৩ নম্বর স্থানটি দখল করতে পেরেছেন ফরাসি পর্যটকেরা। পর্যটকদের এই বৈচিত্র্যময় আচরণই আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে করে তোলে বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয়। তবে বিশ্বজুড়ে গণ-পর্যটনের এই যুগে স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং বিনয়ী আচরণই একজন পর্যটককে আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলে।

সূত্র: ইউরো নিউজ, দ্য ডেইলি ডাইজেস্ট

কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু মুখে ব্রণ হওয়া সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রণ খোঁটেন, চাপ দিয়ে পুঁজ বের করার চেষ্টা করেন বা নখ দিয়ে ব্রণ ফাটিয়ে ফেলেন।

ত্বক প্রাণবন্ত রাখতে হাইড্রেশন বা আর্দ্রতার কোনো বিকল্প নেই। আর এই হাইড্রেশনের জন্য বাজারের দামি দামি ব্র্যান্ডের ময়শ্চারাইজার বা জেলের ওপর আমরা অনেকটাই নির্ভরশীল। কিন্তু একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, এসব পণ্যে থাকে কৃত্রিম সুগন্ধি, প্যারাবেন এবং নানাবিধ কেমিক্যাল, যা সাময়িক জেল্লা দিলেও দীর্ঘ…

তেল-মসলাযুক্ত ভারী খাবার খাওয়ার পর কোল্ড ড্রিংকস পান না করলে যেন অনেকের চলে না। কোমল পানীয়ের বোতল হাতে নিয়ে অনেকে ভাবেন, ‘এবার পেট হালকা হবে, গ্যাস্ট্রিক কমবে।’ অনেকে আবার মনে করেন, এগুলো খেলে যে ঢেকুর ওঠে, তার সঙ্গেই বুঝি অ্যাসিডিটি হাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে? সফট ড্রিংকস কি সত্যিই