প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের দুনিয়া এগিয়ে এশিয়া, কেন্দ্রে চীন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

তালিকাটির সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গবেষণার ক্ষেত্রে একক দেশ হিসেবে চীন এগিয়ে রয়েছে। শীর্ষ ১০টির মধ্যে ৬টি এবং শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের ৮টির বেশি স্থান দখল করে নিয়েছে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো। এগুলোর মধ্যে আছে চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস, ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় ও সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়। মাইক্রোসফট রিসার্চ এশিয়া নামের বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের মাইক্রোসফটের বড় রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট হাব। এটি চীনা ভাষার সংবাদ থেকে নিখুঁত ইংরেজি অনুবাদে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। এ প্রতিষ্ঠানটিও রয়েছে তালিকায়।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, স্ট্যানফোর্ড, মেটা, অ্যালফাবেটের (গুগল) মতো একাডেমিক এবং করপোরেট জায়ান্টদের সৌজন্যে বৈশ্বিক উদ্ভাবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনো সুদৃঢ়। এ ছাড়া জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া এই তালিকায় নিজেদের স্থান ধরে রেখেছে।

শীর্ষ ৩০টির অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান এশিয়া মহাদেশে, মূলত পূর্ব এশিয়ার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকংয়ে অবস্থিত। চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ে হিউম্যানয়েড বা মানুষের মতো দেখতে রোবটকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে স্ট্রবেরি তোলার মতো সূক্ষ্ম কাজের জন্য। চীনের উহানভিত্তিক হুয়াঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি আলো নির্গমন ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি এবং টিউমার-টার্গেটেড ইমিউনোথেরাপিতে যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছে। হংকং ফেসিয়াল রিকগনিশন, ইমেজ অ্যানালাইসিস, মেডিকেল ইমেজ প্রসেসিং এবং স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচলের এআই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং করপোরেশন গ্লোবাল কনগ্লোমারেট ও মেমোরি চিপ তৈরিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। তারা ডিসপ্লে, স্মার্টফোন এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্সের গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।

এসব প্রতিষ্ঠান প্রমাণ করেছে, গবেষণা কোনো একক দেশের হাতের মুঠোয় নেই।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানগুলো মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকাশের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। অ্যালফাবেট ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও গবেষণা বিষয়ক কর্মকাণ্ডে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। অ্যালফাবেটের মূল লক্ষ্য সার্চ ইঞ্জিনে এআই ওভারভিউ ও অটোনোমাস এজেন্ট তৈরি করা। অন্যদিকে মেটা কাজ করছে অরিজিনাল ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, অগমেন্টেড বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং থ্রেডস ও মেসেঞ্জারের মতো প্ল্যাটফর্মের অবকাঠামো নিয়ে। দেশটিতে বায়োমেডিক্যাল গবেষণার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস। প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণ ও বিশ্বমানের গবেষণায় তহবিল জোগায়।

এদিকে ইউরোপ মহাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। আন্তর্মহাদেশীয় দেশ রাশিয়ার মস্কোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সেস। প্রতিষ্ঠানটি স্পেস এক্সপ্লোরেশন বা মহাকাশ গবেষণা, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং কম্পিউটার সায়েন্সে তাদের মৌলিক গবেষণার জন্য সুপরিচিত। ফরাসি গবেষণাকেন্দ্র সিএনআরএস, অক্সফোর্ড, ইউসিএল বা হেলমহোল্টজের মতো কিছু ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিশ্বমঞ্চে এশিয়ার সঙ্গে তাদের তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।

বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রতিষ্ঠানভেদে গবেষণার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অ্যালফাবেট (গুগল), মেটা, সেন্সটাইম ও মাইক্রোসফটের গবেষণাগারগুলো মূলত এআই, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ফেসিয়াল রিকগনিশন ও বিশ্বমানের গণনানির্ভর প্রযুক্তিতে প্রাধান্য দিচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও ক্যানসার গবেষণার ক্ষেত্রে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, মাস জেনারেল ব্রিগ্যাম, আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি এবং আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত ক্যানসার ইমিউনোথেরাপি, জিনথেরাপি ও বিশ্বজনীন মহামারি রোগ প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও ক্লিন এনার্জির ক্ষেত্রে চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশন স্মার্ট গ্রিড, এআই-ভিত্তিক রোবোটিক ইন্সপেকশন ও পরিষ্কার শক্তি প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। আবার ঝেজিয়াং ও সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় রোবোটিকস ও বায়োমেডিকেলে উদ্ভাবন আনছে।

রাষ্ট্রীয় তহবিল ও সমন্বিত নীতির কারণে চীন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে গবেষণার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ধারণা করা যায়, আগামী দিনে বিশ্ব প্রযুক্তির পেটেন্ট, স্ট্যান্ডার্ড ও নতুন জ্ঞান তৈরির মূল নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠবে এশিয়া। ‘সায়েন্স ডাইরেক্টরি’র মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, উদ্ভাবনে এশিয়ার এই আধিপত্য পশ্চিমা দেশগুলোকে আরও বেশি বাজেট বৃদ্ধি ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে বাধ্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্কিম্যাগো ইনস্টিটিউশনস র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ ডেটাবেইস, সায়েন্স ডাইরেক্টরি, সিএএসআরএ

উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক

উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক

উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে মোবাইল ফোনে ব্যবহারযোগ্য, কম ইন্টারনেট সংযোগেও কার্যকর এবং স্থানীয় ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি তৈরির আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনে চীনের অবদান রয়েছে: টিম কুক

অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনে চীনের অবদান রয়েছে: টিম কুক

অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’ তৈরিতে চীনের অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী চেয়ারম্যান টিম কুক। বেইজিংয়ে চায়না ডেইলিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন…

জনপ্রিয় টার্গেট

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের দুনিয়া এগিয়ে এশিয়া, কেন্দ্রে চীন

প্রকাশ: ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

তালিকাটির সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গবেষণার ক্ষেত্রে একক দেশ হিসেবে চীন এগিয়ে রয়েছে। শীর্ষ ১০টির মধ্যে ৬টি এবং শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের ৮টির বেশি স্থান দখল করে নিয়েছে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো। এগুলোর মধ্যে আছে চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস, ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় ও সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়। মাইক্রোসফট রিসার্চ এশিয়া নামের বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের মাইক্রোসফটের বড় রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট হাব। এটি চীনা ভাষার সংবাদ থেকে নিখুঁত ইংরেজি অনুবাদে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। এ প্রতিষ্ঠানটিও রয়েছে তালিকায়।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, স্ট্যানফোর্ড, মেটা, অ্যালফাবেটের (গুগল) মতো একাডেমিক এবং করপোরেট জায়ান্টদের সৌজন্যে বৈশ্বিক উদ্ভাবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনো সুদৃঢ়। এ ছাড়া জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া এই তালিকায় নিজেদের স্থান ধরে রেখেছে।

শীর্ষ ৩০টির অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান এশিয়া মহাদেশে, মূলত পূর্ব এশিয়ার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকংয়ে অবস্থিত। চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ে হিউম্যানয়েড বা মানুষের মতো দেখতে রোবটকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে স্ট্রবেরি তোলার মতো সূক্ষ্ম কাজের জন্য। চীনের উহানভিত্তিক হুয়াঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি আলো নির্গমন ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি এবং টিউমার-টার্গেটেড ইমিউনোথেরাপিতে যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছে। হংকং ফেসিয়াল রিকগনিশন, ইমেজ অ্যানালাইসিস, মেডিকেল ইমেজ প্রসেসিং এবং স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচলের এআই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং করপোরেশন গ্লোবাল কনগ্লোমারেট ও মেমোরি চিপ তৈরিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। তারা ডিসপ্লে, স্মার্টফোন এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্সের গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।

এসব প্রতিষ্ঠান প্রমাণ করেছে, গবেষণা কোনো একক দেশের হাতের মুঠোয় নেই।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানগুলো মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকাশের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। অ্যালফাবেট ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও গবেষণা বিষয়ক কর্মকাণ্ডে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। অ্যালফাবেটের মূল লক্ষ্য সার্চ ইঞ্জিনে এআই ওভারভিউ ও অটোনোমাস এজেন্ট তৈরি করা। অন্যদিকে মেটা কাজ করছে অরিজিনাল ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, অগমেন্টেড বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং থ্রেডস ও মেসেঞ্জারের মতো প্ল্যাটফর্মের অবকাঠামো নিয়ে। দেশটিতে বায়োমেডিক্যাল গবেষণার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস। প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণ ও বিশ্বমানের গবেষণায় তহবিল জোগায়।

এদিকে ইউরোপ মহাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। আন্তর্মহাদেশীয় দেশ রাশিয়ার মস্কোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সেস। প্রতিষ্ঠানটি স্পেস এক্সপ্লোরেশন বা মহাকাশ গবেষণা, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং কম্পিউটার সায়েন্সে তাদের মৌলিক গবেষণার জন্য সুপরিচিত। ফরাসি গবেষণাকেন্দ্র সিএনআরএস, অক্সফোর্ড, ইউসিএল বা হেলমহোল্টজের মতো কিছু ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিশ্বমঞ্চে এশিয়ার সঙ্গে তাদের তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।

বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রতিষ্ঠানভেদে গবেষণার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অ্যালফাবেট (গুগল), মেটা, সেন্সটাইম ও মাইক্রোসফটের গবেষণাগারগুলো মূলত এআই, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ফেসিয়াল রিকগনিশন ও বিশ্বমানের গণনানির্ভর প্রযুক্তিতে প্রাধান্য দিচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও ক্যানসার গবেষণার ক্ষেত্রে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, মাস জেনারেল ব্রিগ্যাম, আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি এবং আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত ক্যানসার ইমিউনোথেরাপি, জিনথেরাপি ও বিশ্বজনীন মহামারি রোগ প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও ক্লিন এনার্জির ক্ষেত্রে চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশন স্মার্ট গ্রিড, এআই-ভিত্তিক রোবোটিক ইন্সপেকশন ও পরিষ্কার শক্তি প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। আবার ঝেজিয়াং ও সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় রোবোটিকস ও বায়োমেডিকেলে উদ্ভাবন আনছে।

রাষ্ট্রীয় তহবিল ও সমন্বিত নীতির কারণে চীন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে গবেষণার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ধারণা করা যায়, আগামী দিনে বিশ্ব প্রযুক্তির পেটেন্ট, স্ট্যান্ডার্ড ও নতুন জ্ঞান তৈরির মূল নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠবে এশিয়া। ‘সায়েন্স ডাইরেক্টরি’র মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, উদ্ভাবনে এশিয়ার এই আধিপত্য পশ্চিমা দেশগুলোকে আরও বেশি বাজেট বৃদ্ধি ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে বাধ্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্কিম্যাগো ইনস্টিটিউশনস র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ ডেটাবেইস, সায়েন্স ডাইরেক্টরি, সিএএসআরএ

উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক

উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক

উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে মোবাইল ফোনে ব্যবহারযোগ্য, কম ইন্টারনেট সংযোগেও কার্যকর এবং স্থানীয় ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি তৈরির আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনে চীনের অবদান রয়েছে: টিম কুক

অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনে চীনের অবদান রয়েছে: টিম কুক

অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’ তৈরিতে চীনের অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী চেয়ারম্যান টিম কুক। বেইজিংয়ে চায়না ডেইলিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন…