টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তির মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর সুযোগও থাকবে। সে ক্ষেত্রে ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার পর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার দায়িত্বে থাকতে পারবেন স্কালোনি। তবে চুক্তির বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।
আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতিতে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। লা বোম্বোনেরায় উরুগুয়ে এবং কর্দোবায় কোস্টারিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই বিরতিতেই স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
সম্প্রতি বেনিনের বিপক্ষে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন স্কালোনি। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমি কোচ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাব।’ তবে একই সঙ্গে জানিয়েছিলেন, তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে তখনো নতুন কোনো খবর নেই।
স্কালোনির পাশাপাশি বর্তমান কোচিং স্টাফকেও ধরে রাখতে চায় আর্জেন্টিনা। তাঁর অধীনেই দলটি ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের ফিনালিসিমা, কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও রানার্সআপ হয়েছে দলটি।
স্যামুয়েল চলে গেলে সেটি দলের জন্য বড় ক্ষতি হবে বলেও মনে করেন স্কালোনি, ‘তার জন্য দরজা খোলা আছে। সে যদি চলে যেতে চায়, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। তবে সে এখানে না থাকলে সেটি হবে বড় ক্ষতি। এরপর কী হয়, তা দেখা যাবে।’
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের পর হোর্হে সাম্পাওলি দায়িত্ব ছাড়লে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে আর্জেন্টিনার দায়িত্ব নেন স্কালোনি। পরে তাঁর অধীনেই ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। চারটি বড় শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনাকে সাফল্যের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি।
নতুন চুক্তি চূড়ান্ত হলে ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার পর আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে স্কালোনির মেয়াদ ১০ বছরে পৌঁছাবে। চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ কার্যকর হলে ২০৩০ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ডাগআউটে থাকতে পারেন এই কোচ।

দৈনিক টার্গেট 



























