সতীর্থের ঝোড়ো ইনিংসে সিপিএল যাত্রা পেছাল সাইমের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০১ বার পঠিত হয়েছে

জ্যামাইকা কিংসমেন আগেই সাইমের জন্য ইংল্যান্ড থেকে বার্বাডোজের ফ্লাইট বুক করেছিল। তিন দিনের মধ্যে টেস্ট শেষ হলে শুক্রবারই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাঁহাতি এই ব্যাটারের। এ জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। কিন্তু রাজাউল্লাহর দুর্দান্ত ব্যাটিং পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসকে ৪৪৯ রানে নিয়ে যায় এবং ম্যাচ গড়ায় চতুর্থ দিনে।

মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন রাজাউল্লাহ। তাঁর ইনিংসে ছিল নয়টি ছক্কা। এটা ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট অভিষেকে এক ইনিংসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। টেস্টে অভিষেকে সমান ছক্কা মেরেছিলেন বেন স্টোকস।

রাজাউল্লাহর ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামাতে পেরেছে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই প্রতিরোধ কাজে আসেনি। চতুর্থ দিনে ১৩০ রানের লক্ষ্য ৮ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে স্বাগতিকেরা।

সাইমকে দ্রুত ফিরে পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিংসমেনের জন্য সিপিএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। দুই দলেরই পয়েন্ট ৮ হওয়ায় প্লে-অফের লড়াইয়ে ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সূচিতে আপাতত আর কোনো ম্যাচ না থাকায় টেস্ট সিরিজ শেষে সিপিএলের বাকি অংশে সাইমকে নিয়মিত পাওয়ার আশা করছে কিংসমেন।

রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লা লিগায় জয়ে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বড় ব্যবধানে জিতেও দলের পারফরম্যান্সের কিছু দিক নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না প্রধান কোচ জোসে মরিনিও। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে দলের শারীরিক ও মানসিক শক্তি কমে যাওয়া এবং সুযোগ নষ্টের প্রবণতা ভাবাচ্ছে তাঁকে।

নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোজে অবশেষে নিজের নামের পাশে ইউএস ওপেনের শিরোপা লিখলেন এলেনা রিবাকিনা। ফাইনালে দুইবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬-৪, ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে প্রথমবার ইউএস ওপেন জিতলেন কাজাখস্তানের ২৭ বছর বয়সী তারকা।

শুরুতেই পিছিয়ে পড়ার পর ভাগ্যক্রমে পাওয়া গোলে সমতায় ফেরে ইন্টার মায়ামি। এরপর লিওনেল মেসির দৃষ্টিনন্দন গোলে লিড নেয় ফ্লোরিডার ক্লাবটি। এই গোলে ভর করে জয়ের স্বপ্নই বুনছিল তারা। কিন্তু শেষ দিকে গোল হজম করে স্বপ্নভঙ্গ হয় মায়ামির।

জনপ্রিয় টার্গেট

সতীর্থের ঝোড়ো ইনিংসে সিপিএল যাত্রা পেছাল সাইমের

প্রকাশ: ১২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্যামাইকা কিংসমেন আগেই সাইমের জন্য ইংল্যান্ড থেকে বার্বাডোজের ফ্লাইট বুক করেছিল। তিন দিনের মধ্যে টেস্ট শেষ হলে শুক্রবারই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাঁহাতি এই ব্যাটারের। এ জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। কিন্তু রাজাউল্লাহর দুর্দান্ত ব্যাটিং পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসকে ৪৪৯ রানে নিয়ে যায় এবং ম্যাচ গড়ায় চতুর্থ দিনে।

মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন রাজাউল্লাহ। তাঁর ইনিংসে ছিল নয়টি ছক্কা। এটা ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট অভিষেকে এক ইনিংসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। টেস্টে অভিষেকে সমান ছক্কা মেরেছিলেন বেন স্টোকস।

রাজাউল্লাহর ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামাতে পেরেছে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই প্রতিরোধ কাজে আসেনি। চতুর্থ দিনে ১৩০ রানের লক্ষ্য ৮ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে স্বাগতিকেরা।

সাইমকে দ্রুত ফিরে পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিংসমেনের জন্য সিপিএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। দুই দলেরই পয়েন্ট ৮ হওয়ায় প্লে-অফের লড়াইয়ে ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সূচিতে আপাতত আর কোনো ম্যাচ না থাকায় টেস্ট সিরিজ শেষে সিপিএলের বাকি অংশে সাইমকে নিয়মিত পাওয়ার আশা করছে কিংসমেন।

রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লা লিগায় জয়ে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বড় ব্যবধানে জিতেও দলের পারফরম্যান্সের কিছু দিক নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না প্রধান কোচ জোসে মরিনিও। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে দলের শারীরিক ও মানসিক শক্তি কমে যাওয়া এবং সুযোগ নষ্টের প্রবণতা ভাবাচ্ছে তাঁকে।

নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোজে অবশেষে নিজের নামের পাশে ইউএস ওপেনের শিরোপা লিখলেন এলেনা রিবাকিনা। ফাইনালে দুইবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬-৪, ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে প্রথমবার ইউএস ওপেন জিতলেন কাজাখস্তানের ২৭ বছর বয়সী তারকা।

শুরুতেই পিছিয়ে পড়ার পর ভাগ্যক্রমে পাওয়া গোলে সমতায় ফেরে ইন্টার মায়ামি। এরপর লিওনেল মেসির দৃষ্টিনন্দন গোলে লিড নেয় ফ্লোরিডার ক্লাবটি। এই গোলে ভর করে জয়ের স্বপ্নই বুনছিল তারা। কিন্তু শেষ দিকে গোল হজম করে স্বপ্নভঙ্গ হয় মায়ামির।