উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইতিহাস সংরক্ষণ, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা

নতুন বাংলাদেশের প্রতীক জুলাই জাদুঘর: ইউনূস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত হয়েছে

মুহাম্মদ ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কেবল একটি প্রদর্শনীর স্থান নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই জাদুঘর দেশের ইতিহাসকে নতুনভাবে ধারণ ও তুলে ধরবে। জাতি যখনই অতীতের শিক্ষা থেকে ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করতে চাইবে, তখন এই স্থান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনার ভূমিকা পালন করবে।

ড. ইউনূসের ভাষায়, একটি জাতির অগ্রযাত্রায় ইতিহাসের স্মৃতি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। সেই দায়িত্ব পালনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনের চেতনা ও মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের পরিবর্তনের ইতিহাস যেন তাদের হাতেই লিপিবদ্ধ হয়। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস সংরক্ষণেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, গবেষক ও নতুন প্রজন্মকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, জাদুঘরের বিভিন্ন তথ্য, দলিল ও স্মৃতিচিহ্ন ইতিহাস সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আগামী দিনের রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা ও দায়িত্ববোধ তৈরিতেও সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইতিহাস সংরক্ষণ, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা

নতুন বাংলাদেশের প্রতীক জুলাই জাদুঘর: ইউনূস

প্রকাশ: ১২:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কেবল একটি প্রদর্শনীর স্থান নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই জাদুঘর দেশের ইতিহাসকে নতুনভাবে ধারণ ও তুলে ধরবে। জাতি যখনই অতীতের শিক্ষা থেকে ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করতে চাইবে, তখন এই স্থান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনার ভূমিকা পালন করবে।

ড. ইউনূসের ভাষায়, একটি জাতির অগ্রযাত্রায় ইতিহাসের স্মৃতি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। সেই দায়িত্ব পালনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনের চেতনা ও মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের পরিবর্তনের ইতিহাস যেন তাদের হাতেই লিপিবদ্ধ হয়। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস সংরক্ষণেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, গবেষক ও নতুন প্রজন্মকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, জাদুঘরের বিভিন্ন তথ্য, দলিল ও স্মৃতিচিহ্ন ইতিহাস সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আগামী দিনের রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা ও দায়িত্ববোধ তৈরিতেও সহায়ক হবে।