অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনে বিপদ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৫৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও কম শারীরিক পরিশ্রম: প্রয়োজনের বেশি ক্যালরি খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করলে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে জমা হয়ে স্থূলতা সৃষ্টি করে। বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম না করা স্থূলতার অন্যতম কারণ।

হরমোনজনিত সমস্যা: জেনেটিক, মেটাবলিক বা হরমোনজনিত সমস্যায় স্থূলতা হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাওয়া এবং কম শারীরিক পরিশ্রম এর জন্য দায়ী।

ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: রাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে ক্ষুধা বাড়ার হরমোন নির্গমন বাড়ে এবং লেপটিন হরমোন কমে যায়। এর ফলে ক্ষুধা বেড়ে গিয়ে ওজনও বেড়ে যায়। এ ছাড়া পর্যাপ্ত না ঘুমালে শরীর অতিরিক্ত কর্টিসল হরমোন তৈরি করে, যা ওজন কমাতে বাধা দেয়।

মানসিক চাপ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ স্থূলতার জন্য দায়ী।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি পরিমাণে খেতে হবে। ফাস্ট ফুড, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার ও অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন: নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম ও জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে এবং দিনে ঘুমানো কমাতে হবে।

এড়িয়ে চলুন কফি পানের ৬ ভুল

এড়িয়ে চলুন কফি পানের ৬ ভুল

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা কাজের ফাঁকে এক কাপ কফি পান করলে ক্লান্তি কমে এবং মনোযোগ বাড়তে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সাময়িকভাবে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের তথ্য অনুযায়ী, পরিমিত কফি পান স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

প্রদাহ কমাতে সহায়ক যেসব খাবার

প্রদাহ কমাতে সহায়ক যেসব খাবার

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস একধরনের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। এ রোগ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা নিজের জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিতে আক্রমণ করে। ফলে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা হতে পারে। এ রোগের চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি অপসারণ, শরীরের লবণ ও খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে কিডনি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে দীর্ঘ সময় ধরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে…

জনপ্রিয় টার্গেট

অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনে বিপদ

প্রকাশ: ০৮:৫৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ও কম শারীরিক পরিশ্রম: প্রয়োজনের বেশি ক্যালরি খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করলে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে জমা হয়ে স্থূলতা সৃষ্টি করে। বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং সে অনুপাতে শারীরিক পরিশ্রম না করা স্থূলতার অন্যতম কারণ।

হরমোনজনিত সমস্যা: জেনেটিক, মেটাবলিক বা হরমোনজনিত সমস্যায় স্থূলতা হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাওয়া এবং কম শারীরিক পরিশ্রম এর জন্য দায়ী।

ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: রাতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে ক্ষুধা বাড়ার হরমোন নির্গমন বাড়ে এবং লেপটিন হরমোন কমে যায়। এর ফলে ক্ষুধা বেড়ে গিয়ে ওজনও বেড়ে যায়। এ ছাড়া পর্যাপ্ত না ঘুমালে শরীর অতিরিক্ত কর্টিসল হরমোন তৈরি করে, যা ওজন কমাতে বাধা দেয়।

মানসিক চাপ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ স্থূলতার জন্য দায়ী।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি পরিমাণে খেতে হবে। ফাস্ট ফুড, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার ও অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন: নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম ও জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে এবং দিনে ঘুমানো কমাতে হবে।

এড়িয়ে চলুন কফি পানের ৬ ভুল

এড়িয়ে চলুন কফি পানের ৬ ভুল

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা কাজের ফাঁকে এক কাপ কফি পান করলে ক্লান্তি কমে এবং মনোযোগ বাড়তে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সাময়িকভাবে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের তথ্য অনুযায়ী, পরিমিত কফি পান স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

প্রদাহ কমাতে সহায়ক যেসব খাবার

প্রদাহ কমাতে সহায়ক যেসব খাবার

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস একধরনের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। এ রোগ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা নিজের জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিতে আক্রমণ করে। ফলে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা হতে পারে। এ রোগের চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি অপসারণ, শরীরের লবণ ও খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে কিডনি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে দীর্ঘ সময় ধরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে…