কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কাজ শুরু হচ্ছে: কৃষি প্রতিমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ২৫৫ বার পঠিত হয়েছে

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নতুন দায়িত্ব গ্রহনকালে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ঘোষণা করেছেন, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি প্রণোদনা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে দায়িত্বভার গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, “আজই প্রথম দিন হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করব। কৃষক কার্ড কীভাবে কার্যকরভাবে বিতরণ করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ড চালু হলে দেশের কৃষকরা সার, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি প্রণোদনা সহজে গ্রহণ করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা কৃষিবিমা সুবিধা এবং স্বল্প সুদে কৃষিঋণ পাওয়ার সুযোগও পাবেন।

সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষি খাতকে আরও সংগঠিত করা এবং প্রণোদনাভিত্তিক সহায়তার আওতায় আনা। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে কার্ড বিতরণ করা হবে, যা প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তায় অন্তর্ভুক্ত করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষক কার্ড কার্যকর হলে ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং কৃষকরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরকারি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের কৃষিক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কাজ শুরু হচ্ছে: কৃষি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নতুন দায়িত্ব গ্রহনকালে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ঘোষণা করেছেন, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি প্রণোদনা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে দায়িত্বভার গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, “আজই প্রথম দিন হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করব। কৃষক কার্ড কীভাবে কার্যকরভাবে বিতরণ করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ড চালু হলে দেশের কৃষকরা সার, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি প্রণোদনা সহজে গ্রহণ করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা কৃষিবিমা সুবিধা এবং স্বল্প সুদে কৃষিঋণ পাওয়ার সুযোগও পাবেন।

সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষি খাতকে আরও সংগঠিত করা এবং প্রণোদনাভিত্তিক সহায়তার আওতায় আনা। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে কার্ড বিতরণ করা হবে, যা প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তায় অন্তর্ভুক্ত করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষক কার্ড কার্যকর হলে ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং কৃষকরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরকারি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের কৃষিক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।