গ্যাস সেবায় নতুন নির্দেশনা জারি করল সরকার

জাতীয়

গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সহজ, দ্রুত এবং গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা বিবেচনায় সেবার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা অনুসরণ করে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে গ্যাস ব্যবহারের বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে আরও ব্যবহারবান্ধব করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—গ্যাস সরঞ্জামের অনুমোদিত ঘণ্টাভিত্তিক লোড অপরিবর্তিত রেখে সরঞ্জাম পুনর্বিন্যাস বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আলাদা করে কোম্পানির অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া একই মালিকানাধীন ও একই প্রাঙ্গণে থাকা একাধিক শিল্প ইউনিটের ক্ষেত্রে অব্যবহৃত গ্যাস লোড স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ ধরনের স্থানান্তর সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা আঞ্চলিক প্রধানের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ক্যাপটিভ পাওয়ার হিসেবে ব্যবহৃত গ্যাস লোড প্রয়োজনে শিল্প খাতে স্থানান্তর করা যাবে। তবে শিল্প খাতে বরাদ্দকৃত গ্যাস কোনোভাবেই ক্যাপটিভ পাওয়ার খাতে স্থানান্তর করা যাবে না, যা ব্যবস্থাপনার ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মিটার স্থাপনের ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মিটার স্থাপনের পর সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ ও বিপণন কোম্পানিকে গুণগত মান যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে গ্যাস সংযোগ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, পাশাপাশি শিল্প ও আবাসিক উভয় গ্রাহকই দ্রুত ও ঝামেলাহীন সেবা পাবেন।

দৈনিক টার্গেট

দৈনিক টার্গেট বাংলাদেশী সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।