নতুন দেশ ও জীবনধারার সঙ্গে পরিচয়: বিদেশে পড়াশোনার অন্যতম আকর্ষণ ভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া। নতুন পরিবেশ ও জীবনযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শুরুতে কঠিন হতে পারে। তবে এই অভিজ্ঞতা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতা বাড়ায়। নতুন দেশে বসবাসের সময় সেখানকার খাবার, ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়। ছুটির সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলও ঘুরে দেখা যায়। সুযোগ থাকলে আশপাশের দেশগুলোতেও ভ্রমণ করা সম্ভব। সাপ্তাহিক ছুটিতে ছোট ভ্রমণ পড়াশোনার ব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। একই সঙ্গে নতুন দেশ ও মানুষের জীবনযাপন কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়।
ক্যারিয়ারের সুযোগ বাড়ে: একাধিক ভাষায় কথা বলতে পারা চাকরির বাজারে মূল্যবান দক্ষতা। এটি বিভিন্ন দেশে কাজের সুযোগও বাড়াতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে যে দেশে পড়েছেন, সেখানেই চাকরির চেষ্টা করেন। প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে তাঁরা স্থানীয় চাকরির বাজারে প্রবেশের সুযোগ পান। ফলে বিদেশে পড়াশোনা দেশের বাইরেও ক্যারিয়ার গড়ার পথ খুলে দিতে পারে। বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতাও চাকরিদাতাদের কাছে মূল্য পেতে পারে। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, স্বনির্ভরতা ও আত্মবিশ্বাসের মতো দক্ষতা এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। একই সঙ্গে তৈরি হয় বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি।
উন্নত শিক্ষার সুযোগ: বিদেশে পড়াশোনার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ শিক্ষার মান। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নত শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাওয়া যায়। উচ্চমানের শিক্ষা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাক্রম বেছে নেওয়ার সুযোগও বেশি থাকে। নিজের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পছন্দ সীমাবদ্ধ রাখতে হয় না। পছন্দের বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া যায়। কিছু বিষয়ে নির্দিষ্ট দেশে পড়াশোনা করা বিশেষভাবে উপযোগী হতে পারে। যেমন ইতালিতে রোমান ইতিহাস কিংবা যুক্তরাজ্যে ইংরেজি সাহিত্য পড়ার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীর জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।
উচ্চশিক্ষার আবেদনে বাড়তি সুবিধা: বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত ডিগ্রি একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক যোগ্যতার শক্ত প্রমাণ হতে পারে। ভবিষ্যতে মাস্টার্স বা পিএইচডি করার পরিকল্পনা থাকলে এই অভিজ্ঞতা কাজে আসবে। বিদেশে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা একজন শিক্ষার্থীর আগ্রহ, নিষ্ঠা ও একাডেমিক সক্ষমতার পরিচয় দিতে পারে। উচ্চশিক্ষার আবেদনে এসব অভিজ্ঞতা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
মুহাম্মদ জুবায়ের হোসেন একজন বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তা, এডটেক প্ল্যাটফর্ম নির্মাতা ও যুব সংগঠক। ঢাকা কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন তিনি। ২০১৯ সালে শুরু করেন ডিজিটাল সেবা প্রতিষ্ঠান ওয়েবকিহ (WEBKIH)। পরে শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস প্রস্তুতির জন্য তৈরি করেন আইইএলটিএস মক ল্যাব।
অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই) জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ট্রেইনি টেরিটরি ম্যানেজার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ফিল্ড অফিসার’ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
দৈনিক টার্গেট 






















