আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার ধনপুর বাজারসংলগ্ন সুরমা নদীতে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের দাবি, এ উৎসবে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে।
বেলা ১২টার দিকে নৌকাবাইচ শুরু হলেও সকাল থেকেই নদীর দুই পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করে। কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা থেকে অনেক মানুষ ছুটে এসেছিলেন নৌকাবাইচ দেখতে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ১০টি নৌকা। প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ‘সোনার হরিণ’, দ্বিতীয় পুরস্কার ‘রুপার ময়ূর’ এবং তৃতীয় পুরস্কার একটি এলইডি টিভি। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
নৌকা বাইচ আয়োজক কমিটির সদস্য ইটনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমেষ কান্তি গোপ জানান, নৌকাবাইচ দেখতে সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ সুরমা নদীর দুই পাড়ে নৌকা নিয়ে এসে ভিড় করেন। দুপুরে লোকসমাগম লাখ ছাড়িয়ে যায়।
মানুষের আয় বাড়েনি, কিন্তু ব্যয় বেড়েছে। সরকারে আসার আগে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। নির্বাচন-পরবর্তী ছয় মাসে সরকার কয়েকটি কার্ড ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি।
আসলাম খানের চাচাতো ভাই মো. মিরাজ খান বলেন, তাঁদের বাসা শনিরআখড়া এলাকায়। জিয়া সরণি রোডে আসলাম খানের ক্রোকারিজের দোকান রয়েছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় সাত দিন পর রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল থেকে পর্যটকেরা সেতুতে প্রবেশ করতে পারছেন।
দৈনিক টার্গেট 


















