শিশুর অভিযোগে শিক্ষক আটক ধামইরহাটে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ১২৩ বার পঠিত হয়েছে

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষককে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাদাল চাঁনপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. মমিনুল হক (২৬)। তিনি পত্নীতলা উপজেলার বরইল গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত সোমবার এশার নামাজের সময় মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পাশের মসজিদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এক ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে বিশেষ কথা আছে বলে একটি কক্ষে ডেকে নেয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সুযোগ বুঝে সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটির ওপর অনৈতিক আচরণ করা হয়।

ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নেয়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার সভাপতি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ধামইরহাট থানার ওসি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। তিনি আরও বলেন, শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে কাউকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডিভোর্সের পর সাবেক স্ত্রীকে হুমকি, কয়রায় জিডি

শিশুর অভিযোগে শিক্ষক আটক ধামইরহাটে

প্রকাশ: ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষককে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাদাল চাঁনপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. মমিনুল হক (২৬)। তিনি পত্নীতলা উপজেলার বরইল গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত সোমবার এশার নামাজের সময় মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পাশের মসজিদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এক ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে বিশেষ কথা আছে বলে একটি কক্ষে ডেকে নেয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সুযোগ বুঝে সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটির ওপর অনৈতিক আচরণ করা হয়।

ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নেয়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার সভাপতি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ধামইরহাট থানার ওসি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। তিনি আরও বলেন, শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে কাউকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।