বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে কলেজছাত্রকে নির্যাতন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত হয়েছে

আহত ওমর ফারুক আমতলী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত চার শিক্ষার্থী হলেন আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে ওমর ফারুক আমতলী শহরে যান। শহরের আবদুল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে পৌঁছালে আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল তাঁকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেন। পরে তাঁকে কালিবাড়ী এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে হকিস্টিক দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান। এ সময় বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ওমর ফারুক।

পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে গত তিন দিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুনরায় হামলার আশঙ্কায় পুলিশকে বিষয়টি জানানোর সাহস পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ওমর ফারুক হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন। তাঁর হাত, পা, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ব্যথার কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করতে পারছেন না।

ওমর ফারুক বলেন, আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল আমাকে তুলে নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ তুলে হকিস্টিক দিয়ে মারধর করেন। আমি তাদের পা ধরেও রক্ষা পাইনি।

ওমর ফারুক আরও বলেন, আমাকে নির্যাতনের পর কাউকে কিছু না বলতে এবং বিষয়টি প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে ভয়ে কাউকে কিছু জানাইনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বায়েজিদ হোসেন বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কটূক্তি করায় ওমর ফারুককে মারধর করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুল ইসলাম রাহাত বলেন, ওমর ফারুককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে।

বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে প্রতিবাদে মানববন্ধন

বরগুনার তালতলী উপজেলার তাপবিদ্যুৎ- কেন্দ্রের বিষাক্ত বর্জ্য পায়রা নদীতে ফেলে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়ালভাঙ্গা এলাকায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে এই মানববন্ধন হয়।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুকে অটোরিকশার ধাক্কা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুকে অটোরিকশার ধাক্কা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

জসিম মিয়া স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। পূজার ছুটিতে মেয়েকে নিয়ে তিনি কাউনিয়া গ্রামে শ্বশুর আজিজ ফরাজীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। আজ দুপুরে জসিম মিয়ার মেয়ে এলমা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চকলেট খাচ্ছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনেরা

আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি

আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি

নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী না হলে আপনাদের আলমারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। অন্য কেউ জয়ী হলে আমার কাছে আসতে পারবেন না, আমি কোনো কাজ দেব না। ওই ইউনিয়নের কপাল পুড়বে। দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, তিনি জয়ী না হলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ হবে না।’

জনপ্রিয় টার্গেট

বাবাই পৃথিবী আড়াই বছরের শিশু সানির

বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে কলেজছাত্রকে নির্যাতন

প্রকাশ: ১২:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

আহত ওমর ফারুক আমতলী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত চার শিক্ষার্থী হলেন আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে ওমর ফারুক আমতলী শহরে যান। শহরের আবদুল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে পৌঁছালে আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল তাঁকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেন। পরে তাঁকে কালিবাড়ী এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে হকিস্টিক দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান। এ সময় বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ওমর ফারুক।

পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে গত তিন দিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুনরায় হামলার আশঙ্কায় পুলিশকে বিষয়টি জানানোর সাহস পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ওমর ফারুক হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন। তাঁর হাত, পা, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ব্যথার কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করতে পারছেন না।

ওমর ফারুক বলেন, আবিদ, সজিব, বায়েজিদ ও তরিকুল আমাকে তুলে নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ তুলে হকিস্টিক দিয়ে মারধর করেন। আমি তাদের পা ধরেও রক্ষা পাইনি।

ওমর ফারুক আরও বলেন, আমাকে নির্যাতনের পর কাউকে কিছু না বলতে এবং বিষয়টি প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে ভয়ে কাউকে কিছু জানাইনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বায়েজিদ হোসেন বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে কটূক্তি করায় ওমর ফারুককে মারধর করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুল ইসলাম রাহাত বলেন, ওমর ফারুককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে।

বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে প্রতিবাদে মানববন্ধন

বরগুনার তালতলী উপজেলার তাপবিদ্যুৎ- কেন্দ্রের বিষাক্ত বর্জ্য পায়রা নদীতে ফেলে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়ালভাঙ্গা এলাকায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে এই মানববন্ধন হয়।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুকে অটোরিকশার ধাক্কা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুকে অটোরিকশার ধাক্কা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

জসিম মিয়া স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। পূজার ছুটিতে মেয়েকে নিয়ে তিনি কাউনিয়া গ্রামে শ্বশুর আজিজ ফরাজীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। আজ দুপুরে জসিম মিয়ার মেয়ে এলমা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চকলেট খাচ্ছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনেরা

আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি

আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি

নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী না হলে আপনাদের আলমারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। অন্য কেউ জয়ী হলে আমার কাছে আসতে পারবেন না, আমি কোনো কাজ দেব না। ওই ইউনিয়নের কপাল পুড়বে। দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, তিনি জয়ী না হলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ হবে না।’