কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত বিদ্যুৎ শটসার্কিট কিংবা চুলার আগুন থেকে ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ আছেন কি না, তা জানতে তল্লাশি অব্যাহত আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ আগুন লাগে রিসোর্টটিতে। কাঠ ও বাঁশের তৈরি রিসোর্টটিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৬-৭ টি কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা পর্যটকরা দিগ্বিদিক ছুটতে থাকেন, কেউ কেউ ঘুমিয়ে ছিলেন।
মোহাম্মদ সোহেল নামে রিসোর্টের এক কর্মচারি বলেন, রিসোর্টে ১৮ জন অতিথি ছিলেন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে(এডিএম) প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, হাসপাতালে চারজন অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারী। সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দৈনিক টার্গেট 
























