ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে কিছু যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে। তবে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ওসি বলেন, আমরা এখনো অভিযান অব্যাহত রেখেছি।
ঈদগড়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আজ সোমবার রাত পৌনে ১১টায় জানান, দুই দফায় ১৫-১৬টি যানবাহনে লুটপাট চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।
দস্যুতার শিকার স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম বলেন, একজন সঙ্গী নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে তিনি ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। দুপুর ১২টার দিকে তিনি হিমছড়িঢালা নামক সড়কস্থানে পৌঁছালে মুখোশধারী ১০-১২ জন সশস্ত্র লোক তাঁদের মোটরসাইকেলটি জিম্মি করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে।
আরেকটি এনজিও সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিমসহ তিনজন অটোরিকশা নিয়ে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। আবদুল হাকিম জানান, বনদস্যুরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা লুট করে। এ সময় তাঁদের জঙ্গলে নিয়ে বেদম মারধর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাকাতির পর থেকে সড়কে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের কয়েকটি দল পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলার পাহাড়ি জনপথের ১৭ কিলোমিটার এই সড়কে প্রায়ই ডাকাতি, অপহরণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।

দৈনিক টার্গেট 



























