চিতলমারীতে বিদ্যালয়ে কুকুরের উৎপাত, আতঙ্কে ৩৫০ শিশুশিক্ষার্থী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এ কে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে বিদ্যালয়ে এখনো সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়নি। বিদ্যালয়টিতে প্রতিদিন ৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী, ৩৫০ জন শিক্ষার্থী ও অসংখ্য অভিভাবকের যাতায়াত রয়েছে। সীমানাপ্রাচীর না থাকায় সদর বাজারের বেওয়ারিশ কুকুরগুলো বিদ্যালয়ের মাঠে ঢুকে উপদ্রব করে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে রাস্তায় লোকজন কম থাকে। এ সময় তাদের দেখলে কুকুরগুলো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। তাই বিদ্যালয়ে আসতে তারা ভয়ে থাকে।

কুকুরের কামড়ে আহত শিক্ষার্থী আহাদ শেখের মা জান্নাতি আক্তার জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে কয়েকটি কুকুর তাঁর ছেলেকে আক্রমণ করে। এতে আহাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের জখম হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

আরেক অভিভাবক জোসনা বেগম বলেন, সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। এ কারণে সংসারের কাজ ফেলে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলে আসতে হয়। তবে এভাবে কতদিন চলবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

আড়ুয়াবর্ণি গ্রামের বাসিন্দা মোহন খান জানান, তাঁর চোখের সামনেই বিদ্যালয়ের মাঠে একটি মেয়েকে একদল কুকুর তাড়া করে। ভয়ে পালাতে গিয়ে মেয়েটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। পরে কুকুরগুলো তার ওপর আক্রমণ চালালে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মানছুরা আক্তার বলেন, ‘উপজেলায় আমাদের বিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু সীমানাপ্রাচীর না থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।’

প্রধান শিক্ষক মহিতুল ইসলাম বলেন, ‘কুকুরের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবকেরা শিশুদের একা স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। অনেকেই সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে আসছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

চিতলমারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আহমেদ ইকবাল বলেন, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বাড়লেও খাবারের পর্যাপ্ত জোগান নেই। আগে বিভিন্ন জায়গায় খাবার পেলেও এখন তা কমে গেছে। এ কারণেও কুকুরের আক্রমণ বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারত।

বাগেরহাটে শোয়ার ঘর থেকে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে শোয়ার ঘর থেকে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে নিজ বাড়ি থেকে বর্ষা চক্রবর্তী (১৬) নামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে শহরের গোবিন্দ মন্দির সড়কের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর খালে কিশোরের ভাসমান মরদেহ

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর খালে কিশোরের ভাসমান মরদেহ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর রামচন্দ্রপুর খাল থেকে মফিজুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সুন্দরবনে দস্যু-কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, উদ্ধার ৫ জেলে

সুন্দরবনে দস্যু-কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, উদ্ধার ৫ জেলে

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ দস্যু দল ‘দাদাভাই বাহিনী’র সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ চালিয়ে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, ছয়টি ফাঁকা কার্তুজ ও তিনটি দেশি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন

জনপ্রিয় টার্গেট

১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলন: সরকারি ঋণের চাপে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মুদ্রানীতির কার্যকারিতা

চিতলমারীতে বিদ্যালয়ে কুকুরের উৎপাত, আতঙ্কে ৩৫০ শিশুশিক্ষার্থী

প্রকাশ: ১২:২১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এ কে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে বিদ্যালয়ে এখনো সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়নি। বিদ্যালয়টিতে প্রতিদিন ৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী, ৩৫০ জন শিক্ষার্থী ও অসংখ্য অভিভাবকের যাতায়াত রয়েছে। সীমানাপ্রাচীর না থাকায় সদর বাজারের বেওয়ারিশ কুকুরগুলো বিদ্যালয়ের মাঠে ঢুকে উপদ্রব করে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে রাস্তায় লোকজন কম থাকে। এ সময় তাদের দেখলে কুকুরগুলো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। তাই বিদ্যালয়ে আসতে তারা ভয়ে থাকে।

কুকুরের কামড়ে আহত শিক্ষার্থী আহাদ শেখের মা জান্নাতি আক্তার জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে কয়েকটি কুকুর তাঁর ছেলেকে আক্রমণ করে। এতে আহাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের জখম হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

আরেক অভিভাবক জোসনা বেগম বলেন, সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। এ কারণে সংসারের কাজ ফেলে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলে আসতে হয়। তবে এভাবে কতদিন চলবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

আড়ুয়াবর্ণি গ্রামের বাসিন্দা মোহন খান জানান, তাঁর চোখের সামনেই বিদ্যালয়ের মাঠে একটি মেয়েকে একদল কুকুর তাড়া করে। ভয়ে পালাতে গিয়ে মেয়েটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। পরে কুকুরগুলো তার ওপর আক্রমণ চালালে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মানছুরা আক্তার বলেন, ‘উপজেলায় আমাদের বিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু সীমানাপ্রাচীর না থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।’

প্রধান শিক্ষক মহিতুল ইসলাম বলেন, ‘কুকুরের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবকেরা শিশুদের একা স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। অনেকেই সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে আসছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

চিতলমারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আহমেদ ইকবাল বলেন, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বাড়লেও খাবারের পর্যাপ্ত জোগান নেই। আগে বিভিন্ন জায়গায় খাবার পেলেও এখন তা কমে গেছে। এ কারণেও কুকুরের আক্রমণ বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারত।

বাগেরহাটে শোয়ার ঘর থেকে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে শোয়ার ঘর থেকে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে নিজ বাড়ি থেকে বর্ষা চক্রবর্তী (১৬) নামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে শহরের গোবিন্দ মন্দির সড়কের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর খালে কিশোরের ভাসমান মরদেহ

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর খালে কিশোরের ভাসমান মরদেহ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর রামচন্দ্রপুর খাল থেকে মফিজুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সুন্দরবনে দস্যু-কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, উদ্ধার ৫ জেলে

সুন্দরবনে দস্যু-কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, উদ্ধার ৫ জেলে

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ দস্যু দল ‘দাদাভাই বাহিনী’র সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ চালিয়ে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, ছয়টি ফাঁকা কার্তুজ ও তিনটি দেশি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন