নিহত ঐশী রায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সমশ্যামনগর এলাকার সাগর চন্দ্র রায়ের মেয়ে। সে কালিয়াকৈরের একটি স্থানীয় বিদ্যালয়ের নার্সারির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা, নিহত শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কালিয়াকৈরে আসেন সাগর চন্দ্র রায়। পরে তিনি পূর্বচান্দরা মুন্সিরটেক এলাকার মোজ্জাফর আলীর বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে চায়ের দোকান করে সংসার চালাতেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যায় ঐশী বাড়ির পাশের একটি বাসায় প্রথম দিন প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। পথে মাহমুদা বেগমের বহুতল ভবনের সামনে দীর্ঘদিন ধরে খোলা থাকা একটি অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায় সে।
ঘটনা টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে সফিপুর এলাকার তানহা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালিয়াকৈর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর লাশ মর্গে না পাঠিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনেরা লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকনা না থাকায় সেপটিক ট্যাংকটি অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। এ কারণেই শিশুটি সেখানে পড়ে যায়। ভবনমালিকের উদাসীনতা ও গাফিলতিতে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ভবনের মালিক অর্থের বিনিময়ে শিশুটির মৃত্যুর ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে ভবনমালিক মাহমুদা বেগমে বলেন, ‘আমার সেপটিক ট্যাংক অরক্ষিত না হলেও আরও এমন ঘটনা ঘটত। ওই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে। এটা নিয়ে নিউজ করার কী আছে?’ মীমাংসা কীভাবে হয়েছে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ওপর মহলের মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। তবে বিস্তারিত জানতে চাইলে ‘ওপর মহল থেকে নিষেধ করা হয়েছে’ বলেও জানান তিনি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল, কিন্তু এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় লাশ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।
বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।
পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।
দৈনিক টার্গেট 

























