কারও ওপর কালো জাদুর প্রভাব পড়লে শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। এর উল্লেখযোগ্য ১০টি লক্ষণ নিচে তুলে ধরা হলো:
১. অস্বাভাবিক শারীরিক সমস্যা: হঠাৎ গুরুতর অসুস্থতা বা তীব্র মাথাব্যথা, যা মেডিকেল টেস্টে ধরা পড়ে না। শরীরে অকারণে দুর্বলতা ও নির্দিষ্ট স্থানে ব্যথা বা অবশ ভাব থাকা।
২. অস্বস্তিকর স্বপ্ন ও আচরণ: বারবার ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা, ঘুমের মধ্যে চিৎকার করা, সব সময় ঝিমানো, অনবরত হাই তোলা ও কান্নাকাটি করা।
৩. একাকিত্ব ও বিষণ্নতা: অকারণে রাগ বা ভয় পাওয়া, সব সময় একা থাকতে চাওয়া এবং ক্ষুধামন্দায় ভোগা।
৪. অস্বাভাবিক আচরণ ও আলসেমি: নিজের অজান্তে অদ্ভুত শব্দ করা কিংবা ঘরসংসার ও স্বাভাবিক কাজে অনীহা।
৫. বিবাহিত জীবনে অশান্তি: কারণ ছাড়াই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অস্বাভাবিক ঘৃণা, দূরত্ব তৈরি হওয়া বা দৈহিক সম্পর্কের প্রতি চরম অনীহা।
৬. ধর্মীয় কাজে বাধা: কোরআন তিলাওয়াত শুনতে বা করতে কষ্ট হওয়া, নামাজ ও জিকিরে চরম অস্বস্তি লাগা।
৭. গৃহস্থালিতে অশান্তি: বাড়িতে অকারণ ঝগড়া বা দুর্ঘটনা ঘটা এবং বিষাক্ত বা কালো প্রাণীর (যেমন সাপ, কালো কুকুর) অস্বাভাবিক উপস্থিতি।
৮. অতিপ্রাকৃত ঘটনা: অদৃশ্য শব্দ শোনা, ছায়া দেখা বা ঘরের জিনিসপত্র নিখোঁজ হওয়া।
৯. শারীরিক পরিবর্তন: হঠাৎ চেহারা বা চুলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসা এবং চিকিৎসা দিয়ে সারানো যায় না—এমন নীল-কালো দাগ পড়া।
১০. রুকইয়াহ চলাকালে প্রতিক্রিয়া: কোরআনিক চিকিৎসা (রুকইয়াহ) চলাকালে প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বমি বা অস্থিরতা দেখা দেওয়া।
ধর্মীয় পাঠকদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা। দেশি-বিদেশি প্রকাশনীগুলো যখন নান্দনিক সাজে স্টল সাজিয়ে বসে, নতুন বইয়ের ঘ্রাণে যখন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও পূর্ব চত্বর ম-ম করে, তখন দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ লেখক-পাঠক। স্টল ঘুরে উল্টেপাল্টে বই দেখা
প্রশ্ন: শরিয়াহর আলোকে জাদু বা সিহরের বাস্তবতা কতটুকু? কোনো ব্যক্তি বা পরিবার জাদুগ্রস্ত হলে তাদের আচরণ ও শরীরে কী কী সুনির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়? কোরআন-সুন্নাহ নির্দেশিত শরিয়াহসম্মত উপায়ে এর স্থায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিকার কীভাবে সম্ভব? জানতে চাই।
দৈনিক টার্গেট 























