দিল্লিতে ৬ তলা ভবনধস, বহু মানুষ আটকা পড়ার শঙ্কা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১ বার পঠিত হয়েছে

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ রোববার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে ভবনটি ধসে পড়ে। ৭৫ শয্যার ‘হোস্টেল ডেজ’ নামের ভবনটি পুরুষদের থাকার জন্য ব্যবহৃত হতো। সত্য নিকেতন এলাকা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে হওয়ায় সেখানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বসবাস করতেন।

সরকারি এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে দিল্লি পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে দুজন উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং কতজন আটকা পড়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভবন ধসের সময় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ভেতরে থাকতে পারেন। রোববার হওয়ায় অধিকাংশ বাসিন্দাই ওই ভবনে অবস্থান করছিলেন বলে তাঁদের ধারণা। ঘটনাস্থলে থাকা এক শিক্ষার্থী এএনআইকে বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনেছেন তিনি।

উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি গাড়ি, একটি এক্সকাভেটর, দুর্যোগ মোকাবিলা দল, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি সেবা মোতায়েন করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিটও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তরনজিৎ সিং সান্ধুও দ্রুত উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করতে পুলিশ, দমকল ও দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটিকে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারানেহ রহিমিকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড এবং তাঁর যমজ বোন রোমিনা রহিমিকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইউরোপে অপরাধী চক্রগুলো ক্রমেই মানুষ ও মাদক—দুই ধরনের চোরাচালানেই অভিবাসী পাচারের রুটগুলোকে ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইনশৃঙ্খলা সংস্থা ইউরোপোলের অভিবাসী পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

কলকাতায় চিকিৎসা পর্যটনে ধস নামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং রোগীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতার বড় হাসপাতালগুলো। বাংলাদেশে দল পাঠানো থেকে শুরু করে সংলগ্ন এলাকার বৈধ হোটেলগুলোর সঙ্গে চুক্তি—হরেক রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় টার্গেট

দিল্লিতে ৬ তলা ভবনধস, বহু মানুষ আটকা পড়ার শঙ্কা

প্রকাশ: ০৫:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ রোববার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে ভবনটি ধসে পড়ে। ৭৫ শয্যার ‘হোস্টেল ডেজ’ নামের ভবনটি পুরুষদের থাকার জন্য ব্যবহৃত হতো। সত্য নিকেতন এলাকা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে হওয়ায় সেখানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বসবাস করতেন।

সরকারি এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে দিল্লি পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে দুজন উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং কতজন আটকা পড়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভবন ধসের সময় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ভেতরে থাকতে পারেন। রোববার হওয়ায় অধিকাংশ বাসিন্দাই ওই ভবনে অবস্থান করছিলেন বলে তাঁদের ধারণা। ঘটনাস্থলে থাকা এক শিক্ষার্থী এএনআইকে বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনেছেন তিনি।

উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি গাড়ি, একটি এক্সকাভেটর, দুর্যোগ মোকাবিলা দল, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি সেবা মোতায়েন করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিটও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তরনজিৎ সিং সান্ধুও দ্রুত উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করতে পুলিশ, দমকল ও দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটিকে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারানেহ রহিমিকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড এবং তাঁর যমজ বোন রোমিনা রহিমিকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইউরোপে অপরাধী চক্রগুলো ক্রমেই মানুষ ও মাদক—দুই ধরনের চোরাচালানেই অভিবাসী পাচারের রুটগুলোকে ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইনশৃঙ্খলা সংস্থা ইউরোপোলের অভিবাসী পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

কলকাতায় চিকিৎসা পর্যটনে ধস নামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং রোগীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতার বড় হাসপাতালগুলো। বাংলাদেশে দল পাঠানো থেকে শুরু করে সংলগ্ন এলাকার বৈধ হোটেলগুলোর সঙ্গে চুক্তি—হরেক রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।