জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তা পেল না বাংলাদেশ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ২৭১ রানের জবাবে তাওহীদ হৃদয়রা থেমেছে ১৭২ রানে; তাও আবার ৩৩.৪ ওভারেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ২১ অক্টোবর তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ফাইনালে যেতে সে ম্যাচ জেতার বিকল্প নেই বাংলাদেশের জন্য। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স বলছে, কাজটা বেশ কঠিনই হবে।

আবুধাবির এই উইকেটে লক্ষ্যটা হাতের নাগালে না থাকলেও অসম্ভব কিছু ছিল না। বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল দারুণ। উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৩ ওভারে ৪৭ রান এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। সৌম্য ৯ রান করে ফেরার পরই ছন্দপতন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত, হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান—কেউই দলের বিপর্যয়ে হাল ধরতে পারেননি। বাংলাদেশও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ ১২৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়।

বাংলাদেশের হয়ে এক তামিম ছাড়া আর কেউ বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। নিউম্যান নিয়াম্বুরির বলে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। সাইফের ২৬ রান বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শেষ দিকে রিশাদ ২৩ রান করলেও সেটা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। বাংলাদেশকে অলআউট করার পথে সবচেয়ে বড় অবদান ব্রাড ইভান্সের। ৪৫ রানে ৪ উইকেট নেন এই পেসার।

জিম্বাবুয়ের ইনিংসের চিত্রটা অবশ্য ভিন্ন ছিল। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাংলাদেশের সামনে কঠিন লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় তারা। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৭৪ রান। চতুর্থ উইকেটে ১৫০ রান যোগ করেন টেলর ও আরভিন। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ৪০তম ওভার শেষে তাঁদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২০১ রান। অর্থাৎ মাঝের ৩০ ওভারে ১৭১ রান তোলে তারা। ভয়ংকর হয়ে ওঠা টেলর-আরভিন জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন সাইফ। ৩৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই টেলরকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ক্যাচ বানান। ১০১ বলে ১০ বাউন্ডারিতে টেলর ফিরলে ভাঙে ১৫০ রানের জুটি।

টেলর ফিরলেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন আরভিন। কিন্তু নড়বড়ে নব্বইয়ের ঘরে কাটা পড়েন তিনি। শরীফুল ইসলামের বলে নুরুল হাসান সোহানের হাতে ধরা পড়ার আগে ৯৩ রান করেন আরভিন। ১০৬ বলে ৯ চারে সাজানোর তাঁর ইনিংস। মাঝে ওয়েসলে মাধেভেরে (১৭) ও সিকান্দার রাজাকে (৪) হারায় জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে বাংলাদেশের ওপর ছোট ঝড় বইয়ে দেন নিউমান নায়ুম্বুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তাঁদের জুটিতে আসে ৩৭ রান। দুজনেই ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে। ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন।

৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিতল বাংলাদেশ

৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিতল বাংলাদেশ

ম্যাচ জেতার সুযোগ ছিল দুই দলের সামনেই। কিন্তু শেষ দিকে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় তারা। ৫ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শুরুটা হলো জয় দিয়েই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে লিটনের বদলি কে

ত্রিদেশীয় সিরিজে লিটনের বদলি কে

না খেলেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হয়েছে লিটন দাসের। চোটের কারণে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তাঁর বদলি হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমনকে।

মিরাজ কেন নেই, বিসিবির ব্যাখ্যা

মিরাজ কেন নেই, বিসিবির ব্যাখ্যা

একজনের ওয়ানডেতে স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে পথচলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। অপর জন সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক। এখানে প্রথম ক্রিকেটার লিটন দাস এবং অপর ক্রিকেটার যে মেহেদী হাসান মিরাজ, সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছেন। তবে দুজনের কেউই আজ জিম্বাবুয়ে ম্যাচের একাদশে নেই।

জনপ্রিয় টার্গেট

জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তা পেল না বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তা পেল না বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০১:০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ২৭১ রানের জবাবে তাওহীদ হৃদয়রা থেমেছে ১৭২ রানে; তাও আবার ৩৩.৪ ওভারেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ২১ অক্টোবর তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ফাইনালে যেতে সে ম্যাচ জেতার বিকল্প নেই বাংলাদেশের জন্য। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স বলছে, কাজটা বেশ কঠিনই হবে।

আবুধাবির এই উইকেটে লক্ষ্যটা হাতের নাগালে না থাকলেও অসম্ভব কিছু ছিল না। বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল দারুণ। উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৩ ওভারে ৪৭ রান এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। সৌম্য ৯ রান করে ফেরার পরই ছন্দপতন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত, হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান—কেউই দলের বিপর্যয়ে হাল ধরতে পারেননি। বাংলাদেশও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ ১২৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়।

বাংলাদেশের হয়ে এক তামিম ছাড়া আর কেউ বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। নিউম্যান নিয়াম্বুরির বলে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। সাইফের ২৬ রান বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শেষ দিকে রিশাদ ২৩ রান করলেও সেটা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। বাংলাদেশকে অলআউট করার পথে সবচেয়ে বড় অবদান ব্রাড ইভান্সের। ৪৫ রানে ৪ উইকেট নেন এই পেসার।

জিম্বাবুয়ের ইনিংসের চিত্রটা অবশ্য ভিন্ন ছিল। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাংলাদেশের সামনে কঠিন লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় তারা। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৭৪ রান। চতুর্থ উইকেটে ১৫০ রান যোগ করেন টেলর ও আরভিন। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ৪০তম ওভার শেষে তাঁদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২০১ রান। অর্থাৎ মাঝের ৩০ ওভারে ১৭১ রান তোলে তারা। ভয়ংকর হয়ে ওঠা টেলর-আরভিন জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন সাইফ। ৩৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই টেলরকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ক্যাচ বানান। ১০১ বলে ১০ বাউন্ডারিতে টেলর ফিরলে ভাঙে ১৫০ রানের জুটি।

টেলর ফিরলেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন আরভিন। কিন্তু নড়বড়ে নব্বইয়ের ঘরে কাটা পড়েন তিনি। শরীফুল ইসলামের বলে নুরুল হাসান সোহানের হাতে ধরা পড়ার আগে ৯৩ রান করেন আরভিন। ১০৬ বলে ৯ চারে সাজানোর তাঁর ইনিংস। মাঝে ওয়েসলে মাধেভেরে (১৭) ও সিকান্দার রাজাকে (৪) হারায় জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে বাংলাদেশের ওপর ছোট ঝড় বইয়ে দেন নিউমান নায়ুম্বুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তাঁদের জুটিতে আসে ৩৭ রান। দুজনেই ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে। ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন।

৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিতল বাংলাদেশ

৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিতল বাংলাদেশ

ম্যাচ জেতার সুযোগ ছিল দুই দলের সামনেই। কিন্তু শেষ দিকে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় তারা। ৫ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শুরুটা হলো জয় দিয়েই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে লিটনের বদলি কে

ত্রিদেশীয় সিরিজে লিটনের বদলি কে

না খেলেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হয়েছে লিটন দাসের। চোটের কারণে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তাঁর বদলি হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমনকে।

মিরাজ কেন নেই, বিসিবির ব্যাখ্যা

মিরাজ কেন নেই, বিসিবির ব্যাখ্যা

একজনের ওয়ানডেতে স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে পথচলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। অপর জন সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক। এখানে প্রথম ক্রিকেটার লিটন দাস এবং অপর ক্রিকেটার যে মেহেদী হাসান মিরাজ, সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছেন। তবে দুজনের কেউই আজ জিম্বাবুয়ে ম্যাচের একাদশে নেই।