বিষণ্নতা মনঃসংযোগে বাধা হলে কাউন্সেলিং করাতে হবে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে
প্রতীকী ছবি

প্রশ্ন: আমি খালার সঙ্গে ঢাকায় থাকতাম। ছয় মাস আগে খালা একটি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বর্তমানে একটা হোস্টেলে অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে থাকি। সারা দিন ক্লাস করে রুমে এসে খাবার বানাই। আমার সারা দিনের জীবন একটা নির্দিষ্ট ছকে চলে। কিন্তু নিজেকে ওই দুর্ঘটনার পরের দিনগুলো থেকে বের করতে পারছি না। খালা আমাকে আগলে রাখতেন। এখন প্রতি পদে পদে তাঁর কথা মনে পড়ে। আমার পরিবারের কারও সঙ্গেই তেমন মানসিক সংযোগ নেই। বুঝতে পারছি না নিজেকে কীভাবে স্বাভাবিকও জীবনে ফিরিয়ে আনব।

উত্তর: যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে ভালোবাসতেন, আগলে রাখতেন, সেই আপনজন আজ আর নেই। খুব দুঃখজনক ঘটনা। আপনজনের মৃত্যু মানবমনে এক আশ্চর্য শূন্যতার জন্ম দেয়।

এ ধরনের ক্ষেত্রে অনেক সময় পুরো বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হয়। কখনো কখনো তাঁর কণ্ঠস্বর, তাঁর প্রিয় সুগন্ধি বা কথা, মমতা, আদর ভালোবাসার স্পর্শ একদম বাস্তব মনে হয়। সাধারণত প্রিয় মানুষটির স্মৃতিচারণা, তাঁর শেষ ঠিকানায় যাওয়া, প্রিয়জনের সঙ্গে তাঁর স্মৃতি বা তাঁর বিষয়ে কথা বলে কষ্ট কমানো যায়।

বড় কথা, তাঁর অসম্পূর্ণ কোনো স্বপ্ন, মনের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা তাঁর প্রিয়জন হিসেবে আপনি পূরণ করতে পারেন। কোনো প্রতিষ্ঠানে তাঁর কথা মনে করে, শিশুদের পোশাক বিতরণ, খাদ্যসামগ্রী, বই বা প্রয়োজনীয় জিনিস উপহার দিতে পারেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে এমন কিছু করতে করুন, যাতে অনেকে উপকৃত হতে পারেন।

আপনি যে অনুভবের কথা বলেছেন, তা প্রাসঙ্গিক। প্রিয়জনের মৃত্যুতে এ রকম হতাশা, বিষণ্নতা, জীবনের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব—এমনটা হয়ে থাকে। তবে এই অনুভবগুলো যদি তীব্র বা অনেক দিন ধরে ক্রমাগত হতে থাকে এবং আপনার মনঃসংযোগে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আপনি পিছিয়ে পড়তে থাকেন, সে ক্ষেত্রে মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে গেলে বা তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী কাউন্সেলিং করলে আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।

পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সোশ্যাল ও কমিউনিটি সাইকিয়াট্রি ডিপার্টমেন্ট জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নারীরা প্রায়ই সামনের সারিতে থাকেন। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংবিধান প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত থাকে। রাজনৈতিক রূপান্তরে নেতৃত্ব দিলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায় থেকে নারীরা

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শীতল। এই উদ্যোগে কন্যাশিশুর শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির

জনপ্রিয় টার্গেট

বিষণ্নতা মনঃসংযোগে বাধা হলে কাউন্সেলিং করাতে হবে

প্রকাশ: ০৮:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রতীকী ছবি

প্রশ্ন: আমি খালার সঙ্গে ঢাকায় থাকতাম। ছয় মাস আগে খালা একটি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বর্তমানে একটা হোস্টেলে অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে থাকি। সারা দিন ক্লাস করে রুমে এসে খাবার বানাই। আমার সারা দিনের জীবন একটা নির্দিষ্ট ছকে চলে। কিন্তু নিজেকে ওই দুর্ঘটনার পরের দিনগুলো থেকে বের করতে পারছি না। খালা আমাকে আগলে রাখতেন। এখন প্রতি পদে পদে তাঁর কথা মনে পড়ে। আমার পরিবারের কারও সঙ্গেই তেমন মানসিক সংযোগ নেই। বুঝতে পারছি না নিজেকে কীভাবে স্বাভাবিকও জীবনে ফিরিয়ে আনব।

উত্তর: যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে ভালোবাসতেন, আগলে রাখতেন, সেই আপনজন আজ আর নেই। খুব দুঃখজনক ঘটনা। আপনজনের মৃত্যু মানবমনে এক আশ্চর্য শূন্যতার জন্ম দেয়।

এ ধরনের ক্ষেত্রে অনেক সময় পুরো বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হয়। কখনো কখনো তাঁর কণ্ঠস্বর, তাঁর প্রিয় সুগন্ধি বা কথা, মমতা, আদর ভালোবাসার স্পর্শ একদম বাস্তব মনে হয়। সাধারণত প্রিয় মানুষটির স্মৃতিচারণা, তাঁর শেষ ঠিকানায় যাওয়া, প্রিয়জনের সঙ্গে তাঁর স্মৃতি বা তাঁর বিষয়ে কথা বলে কষ্ট কমানো যায়।

বড় কথা, তাঁর অসম্পূর্ণ কোনো স্বপ্ন, মনের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা তাঁর প্রিয়জন হিসেবে আপনি পূরণ করতে পারেন। কোনো প্রতিষ্ঠানে তাঁর কথা মনে করে, শিশুদের পোশাক বিতরণ, খাদ্যসামগ্রী, বই বা প্রয়োজনীয় জিনিস উপহার দিতে পারেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে এমন কিছু করতে করুন, যাতে অনেকে উপকৃত হতে পারেন।

আপনি যে অনুভবের কথা বলেছেন, তা প্রাসঙ্গিক। প্রিয়জনের মৃত্যুতে এ রকম হতাশা, বিষণ্নতা, জীবনের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব—এমনটা হয়ে থাকে। তবে এই অনুভবগুলো যদি তীব্র বা অনেক দিন ধরে ক্রমাগত হতে থাকে এবং আপনার মনঃসংযোগে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আপনি পিছিয়ে পড়তে থাকেন, সে ক্ষেত্রে মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে গেলে বা তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী কাউন্সেলিং করলে আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।

পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সোশ্যাল ও কমিউনিটি সাইকিয়াট্রি ডিপার্টমেন্ট জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নারীরা প্রায়ই সামনের সারিতে থাকেন। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংবিধান প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত থাকে। রাজনৈতিক রূপান্তরে নেতৃত্ব দিলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায় থেকে নারীরা

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শীতল। এই উদ্যোগে কন্যাশিশুর শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির