যে তরুণেরা এই অস্থির সময়ে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মববাজির সঙ্গে যুক্ত না হয়ে নিজেদের সৃজনশীলতাকে লালন করে সিনেমা তৈরি করেছেন, তাঁদের সাধুবাদ জানানো দরকার। সত্যিই, স্রোতের বিপরীতে এ এক অনন্য অর্জন। সংস্কৃতিই মানুষকে আরও একটু চর্চিত, নান্দনিক জীবনের সন্ধান দেয়। সেই সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে নিজেদের মনের কথা প্রকাশ করার এই ভাবনা অন্য আরও অনেক তরুণকে সৃজনশীলতার পথে টেনে আনবে—এ রকম আশা করাই যায়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষায়তনে শিক্ষারত তরুণেরা তাঁদের মনন ও সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটালে, তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সমাজে।
সিনেমাটি তৈরির মাধ্যমে এই তরুণেরা দেখিয়ে দিয়েছেন, ইতিবাচক পথে থাকলে তা তরুণ প্রজন্মের আত্মপ্রকাশে সহায়তা করে, প্রতিকূলতার মধ্যেও সৃষ্টিশীল থাকতে প্রত্যয়দীপ্ত করে এবং তাতে সমাজকে নতুনভাবে দেখার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়। একটি সমাজ যখন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক চাপ, কর্মসংস্থানের সংকট ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তরুণদের এমন উদ্যোগ কয়েকটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সে বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলা যাক।
৬ জন থেকে ৪০ জনের দল হয়ে ওঠা এই তরুণেরা তাঁদের আত্মবিশ্বাসের মশালটি দৃপ্ত হাতে তুলে ধরুক। স্বাধীন চিন্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজেদের ভাষা খুঁজে পাওয়ার এই বার্তাটি পৌঁছে যাক সব শিক্ষালয়ে। তরুণদের এই সৃজনশীল কাজটি দর্শকদের কাছে পৌঁছে যাক। আলোচনার জন্ম দিক। সংস্কৃতির শক্তিকে সংহত করুক।
সৃজনশীল সংস্কৃতি এসে জায়গা করে নিক সবখানে, অন্তত এই ভরসা যেন করা যায়, যাতে মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত সৃজনশীল শক্তি সমাজে দাঁড়িয়ে যাবে।
দৈনিক টার্গেট 



















