শেষকৃত্য সম্পন্ন, স্মৃতিতে রাবি শিক্ষার্থী চেসি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

চেসির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধুরা স্মৃতিচারণা করে তুলে ধরছেন তাঁর স্বপ্ন ও একসঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্তের কথা।

আজ সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জুম শিক্ষার্থী পরিবার চেসির স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন ও স্মরণসভার আয়োজন করে। এতে তাঁর বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বন্ধুরা অংশ নেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও দুই উপ-উপাচার্য এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

স্মরণসভায় চেসির সহপাঠী পুষ্পিতা বলেন, ভালোভাবে পড়াশোনা করে বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন চেসি। প্রতিষ্ঠিত হয়ে মা-বাবার দায়িত্ব নেওয়া ও তাঁদের ভালোভাবে দেখাশোনা করাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়, তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবতেন চেসি।

আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সুফল চাকমা বলেন, ‘চেসি দিদি আমার কাছে অভিভাবকের মতো ছিলেন। ক্যাম্পাসে আসার পর থেকেই তাঁর স্নেহ-ভালোবাসা পেয়েছি। একসঙ্গে আড্ডা দেওয়া, গল্প করা, মাঝেমধ্যে রান্না করে খাওয়ানোর স্মৃতিগুলো আজও মনে পড়ে।’

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সভাপতি অমিত কুমার দত্ত বলেন, ‘চেসির মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। সে অত্যন্ত মেধাবী, সম্ভাবনাময় ও সবার প্রিয় একজন শিক্ষার্থী ছিল। এত মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছিল মেয়েটি, যা সত্যিই অভাবনীয়।’

চেসির স্মৃতি ধরে রাখতে বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার আশাবাদ জানিয়ে অমিত কুমার বলেন, চেসি সবার হৃদয়ে ও বিভাগের স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন।

এর আগে গত সোমবার রাজশাহীর বাগমারায় এক সহপাঠীর বাসায় পূজার দাওয়াতে যান চেসি। সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি।

প্রথমে তাঁকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয় তাঁকে। রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৭ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

রামেকে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে যোগ দেবেন শুক্রবার

রামেকে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে যোগ দেবেন শুক্রবার

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা তাঁদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন। তবে তাঁরা শুক্রবার সকাল থেকে কাজে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলামের সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

রুয়েটের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, ‘বড় সুযোগ ছিল’ বলা যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে

রুয়েটের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, ‘বড় সুযোগ ছিল’ বলা যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে

বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআরবি-৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সাল ইশতিয়াক বলেন, ‘আমরা দুজনকেই ডিবির কাছে হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তারা (ডিবি) পরে জানাবে।’

জনপ্রিয় টার্গেট

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা বাবা-মেয়ের মৃত্যু, বাসে আগুন

শেষকৃত্য সম্পন্ন, স্মৃতিতে রাবি শিক্ষার্থী চেসি

প্রকাশ: ১২:০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চেসির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধুরা স্মৃতিচারণা করে তুলে ধরছেন তাঁর স্বপ্ন ও একসঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্তের কথা।

আজ সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জুম শিক্ষার্থী পরিবার চেসির স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন ও স্মরণসভার আয়োজন করে। এতে তাঁর বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বন্ধুরা অংশ নেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও দুই উপ-উপাচার্য এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

স্মরণসভায় চেসির সহপাঠী পুষ্পিতা বলেন, ভালোভাবে পড়াশোনা করে বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন চেসি। প্রতিষ্ঠিত হয়ে মা-বাবার দায়িত্ব নেওয়া ও তাঁদের ভালোভাবে দেখাশোনা করাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়, তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবতেন চেসি।

আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সুফল চাকমা বলেন, ‘চেসি দিদি আমার কাছে অভিভাবকের মতো ছিলেন। ক্যাম্পাসে আসার পর থেকেই তাঁর স্নেহ-ভালোবাসা পেয়েছি। একসঙ্গে আড্ডা দেওয়া, গল্প করা, মাঝেমধ্যে রান্না করে খাওয়ানোর স্মৃতিগুলো আজও মনে পড়ে।’

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সভাপতি অমিত কুমার দত্ত বলেন, ‘চেসির মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। সে অত্যন্ত মেধাবী, সম্ভাবনাময় ও সবার প্রিয় একজন শিক্ষার্থী ছিল। এত মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছিল মেয়েটি, যা সত্যিই অভাবনীয়।’

চেসির স্মৃতি ধরে রাখতে বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার আশাবাদ জানিয়ে অমিত কুমার বলেন, চেসি সবার হৃদয়ে ও বিভাগের স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন।

এর আগে গত সোমবার রাজশাহীর বাগমারায় এক সহপাঠীর বাসায় পূজার দাওয়াতে যান চেসি। সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি।

প্রথমে তাঁকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয় তাঁকে। রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৭ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

রামেকে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে যোগ দেবেন শুক্রবার

রামেকে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে যোগ দেবেন শুক্রবার

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা তাঁদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন। তবে তাঁরা শুক্রবার সকাল থেকে কাজে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলামের সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

রুয়েটের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, ‘বড় সুযোগ ছিল’ বলা যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে

রুয়েটের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, ‘বড় সুযোগ ছিল’ বলা যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে

বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআরবি-৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সাল ইশতিয়াক বলেন, ‘আমরা দুজনকেই ডিবির কাছে হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তারা (ডিবি) পরে জানাবে।’