বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ড ব্যয় চার গুণ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে ব্যয় ছিল প্রায় ৯৮৫ কোটি টাকা। আগস্টে তা বেড়ে ৯৮৭ কোটি টাকা হয়েছে। অন্যদিকে দেশে বিদেশিদের কার্ডে ব্যয় এক মাসে ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে ২৩৪ কোটি টাকা থেকে প্রায় ২৪৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আগস্টে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় হয়েছে ৫০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি ১০ লাখ এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি ১০ লাখ টাকা। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বাংলাদেশিদের পছন্দের শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে হয়েছে মোট বৈদেশিক ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ১৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ভারত ও সিঙ্গাপুর। ডেবিট কার্ড ব্যবহারে শীর্ষে যুক্তরাজ্য; মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ হয়েছে সেখানে। প্রিপেইড কার্ডে সবচেয়ে বেশি, ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ লেনদেন হয়েছে ভারতে।

বিদেশে ব্যয় বাড়লেও দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন কমেছে। জুলাইয়ের ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা থেকে আগস্টে তা নেমে এসেছে ৪ হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকায়। কমেছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডের মোট লেনদেনের ৪৮ দশমিক ১৪ শতাংশ হয়েছে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে। রিটেইল আউটলেটে ১২ দশমিক ৬৭, ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ১০ দশমিক ৮০ এবং ওষুধ ও ফার্মেসিতে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। নগদ টাকা উত্তোলনে ব্যয় হয়েছে ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে রিটেইল আউটলেটে লেনদেন ৪৮৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৫১৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা হয়েছে। ইউটিলিটি বিল, ওষুধ, পোশাক ও পরিবহন খাতেও লেনদেন বেড়েছে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে ডেবিট কার্ড ছিল ২ কোটি ৪২ লাখ ২৫ হাজার, ক্রেডিট কার্ড ১৭ লাখ ৬৩ হাজার এবং প্রিপেইড কার্ড ১০ লাখ ২৭ হাজার। ২০২৬ সালের আগস্টে সংখ্যা বেড়ে যথাক্রমে ৪ কোটি ৮৭ হাজার, ২৮ লাখ ৫ হাজার ও ৯২ লাখ ৭১ হাজার হয়েছে। পাঁচ বছরে কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ৯৬ শতাংশ, লেনদেন বেড়েছে ১০৩ শতাংশ। সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা।

আগস্ট শেষে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে অনুমোদিত ঋণসীমা ছিল ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। বকেয়া ঋণ ছিল ১৪ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, নগদ লেনদেন নিরুৎসাহিত করে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। কার্ডের পাশাপাশি বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেন বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে।

পুঁজিবাজারের ১২ প্রতিষ্ঠানের ঘাটতি পূরণে সময় দিল বিএসইসি

পুঁজিবাজারের ১২ প্রতিষ্ঠানের ঘাটতি পূরণে সময় দিল বিএসইসি

কয়েকটি স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংককে ৩০ এপ্রিল ২০২৭ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। আর এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে নন-সম্পদসংক্রান্ত ঘাটতি নিরসন ও প্রয়োজনীয় বিধিবিধান পরিপালনের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। চারটি স্টক ব্রোকার ও দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সিক

ভারতের অর্থনীতিতে আস্থার সংকট: শেয়ারবাজার থেকে চার দিনে উধাও ৪ লাখ কোটি রুপি

ভারতের অর্থনীতিতে আস্থার সংকট: শেয়ারবাজার থেকে চার দিনে উধাও ৪ লাখ কোটি রুপি

গত সপ্তাহের স্বল্পমেয়াদি উত্থান বিনিয়োগকারীদের মনে আশার আলো জ্বালিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভারতের মুম্বাইয়ের দালাল স্ট্রিটে নেমে এসেছে তীব্র মন্দা। আজ সোমবার লেনদেন চলাকালেই ভারতীয় শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৪ লাখ কোটি রুপি হারিয়েছেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

কক্সবাজারে আগুন: ‘দূরে দাঁড়িয়ে দেখলাম স্বজনেরা পুড়ে মরছেন’

বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ড ব্যয় চার গুণ

প্রকাশ: ১২:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে ব্যয় ছিল প্রায় ৯৮৫ কোটি টাকা। আগস্টে তা বেড়ে ৯৮৭ কোটি টাকা হয়েছে। অন্যদিকে দেশে বিদেশিদের কার্ডে ব্যয় এক মাসে ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে ২৩৪ কোটি টাকা থেকে প্রায় ২৪৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আগস্টে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় হয়েছে ৫০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি ১০ লাখ এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি ১০ লাখ টাকা। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বাংলাদেশিদের পছন্দের শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে হয়েছে মোট বৈদেশিক ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ১৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ভারত ও সিঙ্গাপুর। ডেবিট কার্ড ব্যবহারে শীর্ষে যুক্তরাজ্য; মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ হয়েছে সেখানে। প্রিপেইড কার্ডে সবচেয়ে বেশি, ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ লেনদেন হয়েছে ভারতে।

বিদেশে ব্যয় বাড়লেও দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন কমেছে। জুলাইয়ের ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা থেকে আগস্টে তা নেমে এসেছে ৪ হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকায়। কমেছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডের মোট লেনদেনের ৪৮ দশমিক ১৪ শতাংশ হয়েছে ডিপার্টমেন্ট স্টোরে। রিটেইল আউটলেটে ১২ দশমিক ৬৭, ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ১০ দশমিক ৮০ এবং ওষুধ ও ফার্মেসিতে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। নগদ টাকা উত্তোলনে ব্যয় হয়েছে ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে রিটেইল আউটলেটে লেনদেন ৪৮৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৫১৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা হয়েছে। ইউটিলিটি বিল, ওষুধ, পোশাক ও পরিবহন খাতেও লেনদেন বেড়েছে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে ডেবিট কার্ড ছিল ২ কোটি ৪২ লাখ ২৫ হাজার, ক্রেডিট কার্ড ১৭ লাখ ৬৩ হাজার এবং প্রিপেইড কার্ড ১০ লাখ ২৭ হাজার। ২০২৬ সালের আগস্টে সংখ্যা বেড়ে যথাক্রমে ৪ কোটি ৮৭ হাজার, ২৮ লাখ ৫ হাজার ও ৯২ লাখ ৭১ হাজার হয়েছে। পাঁচ বছরে কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ৯৬ শতাংশ, লেনদেন বেড়েছে ১০৩ শতাংশ। সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা।

আগস্ট শেষে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে অনুমোদিত ঋণসীমা ছিল ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। বকেয়া ঋণ ছিল ১৪ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, নগদ লেনদেন নিরুৎসাহিত করে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। কার্ডের পাশাপাশি বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেন বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে।

পুঁজিবাজারের ১২ প্রতিষ্ঠানের ঘাটতি পূরণে সময় দিল বিএসইসি

পুঁজিবাজারের ১২ প্রতিষ্ঠানের ঘাটতি পূরণে সময় দিল বিএসইসি

কয়েকটি স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংককে ৩০ এপ্রিল ২০২৭ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। আর এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে নন-সম্পদসংক্রান্ত ঘাটতি নিরসন ও প্রয়োজনীয় বিধিবিধান পরিপালনের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। চারটি স্টক ব্রোকার ও দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সিক

ভারতের অর্থনীতিতে আস্থার সংকট: শেয়ারবাজার থেকে চার দিনে উধাও ৪ লাখ কোটি রুপি

ভারতের অর্থনীতিতে আস্থার সংকট: শেয়ারবাজার থেকে চার দিনে উধাও ৪ লাখ কোটি রুপি

গত সপ্তাহের স্বল্পমেয়াদি উত্থান বিনিয়োগকারীদের মনে আশার আলো জ্বালিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভারতের মুম্বাইয়ের দালাল স্ট্রিটে নেমে এসেছে তীব্র মন্দা। আজ সোমবার লেনদেন চলাকালেই ভারতীয় শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৪ লাখ কোটি রুপি হারিয়েছেন।