• আগে বাধ্যতামূলক ঋণের হার ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
সর্বশেষ:
কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ: লক্ষ্য বাড়লেও বিতরণে পিছিয়ে
-
দৈনিক টার্গেট - প্রকাশ: ০৬:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
- ৭ বার পঠিত হয়েছে
• আগে বাধ্যতামূলক ঋণের হার ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর তুলনায় ঋণ বিতরণে গতি আসেনি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে মোট লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে বিতরণের হার ছিল ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বিতরণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে বিতরণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বিতরণ বেড়েছে ২ হাজার ৩২ কোটি টাকা বা ৪২ দশমিক ১১ শতাংশ। তবে লক্ষ্যমাত্রা বেশি বাড়ানোয় মোট লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিতরণের হার কমেছে।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। এবার লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানো হলেও প্রথম দুই মাসের চিত্রে সে অনুযায়ী অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কৃষিঋণ বিতরণ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যাংকগুলোর আগ্রহ তুলনামূলক কম। কারণ, কৃষির তুলনায় শিল্পসহ অন্যান্য খাতে কম পরিচালন ব্যয়ে বেশি মুনাফা করার সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণস্থিতির মাত্র ২ দশমিক ৯৫ শতাংশ কৃষি খাতে রয়েছে। এ অবস্থায় চলতি অর্থবছর থেকে মোট ঋণের অন্তত ৪ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগে এই হার ছিল আড়াই শতাংশ। পর্যায়ক্রমে জিডিপিতে কৃষির অবদানের সমান, অর্থাৎ ১০ শতাংশের বেশি ঋণ এই খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের।
কৃষিঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য চালু করা হয়েছে ওয়েবভিত্তিক ‘অ্যাগ্রি-ক্রেডিট এমআইএস’ সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় থেকে খাতভিত্তিক ঋণের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায় থেকেও তথ্য নেওয়া হবে। কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষি ও পল্লি খাতে ঋণ আদায় হয়েছে ৭ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৬ হাজার ৭৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে আদায় বেড়েছে ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা বা ২২ দশমিক ২১ শতাংশ।

ন্যাশনাল ব্যাংক: টাকা ফেরতের প্রথম দিনে আমানতকারীরা তুলেছেন ৮১ কোটি টাকা
আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে শুরু করেছে সমস্যা-কবলিত ন্যাশনাল ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার প্রথম দিনেই টাকা তোলার চাহিদা ছিল ১৮৮ কোটি টাকা। এর বিপরীতে গ্রাহকেরা টাকা তুলেছেন ৮১ কোটি টাকা। ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা ও এটিএম বুথ থেকে এই টাকা তোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে সোনালী ব্যাংক, জামিনদার কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনরুদ্ধারে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির বিপরীতে অর্থ দেওয়া হবে বলে সোনালী ব্যাংকের কোনো ঝুঁকি নেই। এর আগেও এ ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে ব্যাংকটি। দু-একটি ব্যাংক অর্থ ফেরত দিতে না পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংক তা পরিশোধ করেছে…

নতুন ঋণেও সেই পুরোনো সংস্কারের চাপ
নতুন ঋণ কর্মসূচির আকার ও আর্থিক খাত সংস্কারের শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ সরকার। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকের ফাঁকে সাইডলাইনে এই আলোচনা হবে।
জনপ্রিয় টার্গেট

























